ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭, ১ পৌষ ১৪২৪ অাপডেট : ৩১ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২২ নভেম্বর ২০১৭, ১৩:৩৫

প্রিন্ট

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে বেড়েই চলেছে শিশু রোগী

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

কোথাও মেঝেতে, কোথাওবা বারান্দায়, আবার অন্য কোথাও মা-বাবার কোলে চড়ে থাকতে হচ্ছে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা শিশুদের। কারণ সেখানে বেডের সংখ্যা মাত্র ৮টি, বিপরীতে থাকছে গড়ে ৭০-৮০ জন, প্রতিদিন সদর হাসপাতালের জরুরী ও বহি:বিভাগের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে ৩ শতাধিক শিশুকে।

শীত এলেই শিশুরা নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন ভাইরাসজনিত রোগে ভোগে। তবে খোদ ডাক্তাররাই নিউমোনিয়ার ব্যাপক প্রকোপ দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, চিকিৎসা ব্যবস্থার এই দুরাবস্থার জন্য দায়ী স্বল্প জনবল ও সীমিত আসন। জেলার ৬টি উপজেলা থেকেই ভাল সেবা পেতে অবিভাবকরা ছুটে আসছে তাদের শিশুকে নিয়ে সদর হাসপাতলে।

সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বহিঃবিভাগ ও অন্তঃ বিভাগ মিলে প্রতিদিন প্রায় ২৫০-৩০০ শিশুকে ঠাণ্ডাজনিত সমস্যায় চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। শিশু ওয়ার্ডে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আছেন মাত্র একজন। তাই  আরও একজন মেডিক্যাল অফিসার দেয়ার চিন্তা করছে কর্তৃপক্ষ।

হরিণাকুণ্ডু উপজেলা থেকে আসা কালাম মিয়া জানান, আমার বাচ্চা আজ ৭ দিন ধরে ভর্তি। হাসপাতালে সঠিক চিকিৎসা সেবার যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ করেন এই অভিভাবক।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শিশুদের রোগ নিরাময়ে প্রয়োজনীয় রেডিয়েন্ট ওয়ার্মার মেশিন, ফটোথেরাপি মেশিনও রয়েছে বিকল অবস্থায়। নেই পর্যাপ্ত অক্সিজেনের ব্যবস্থাও।

সদর উপজেলার চুটলিয়া গ্রামের মিনা খাতুনের অভিযোগ, নিউমোরিয়ার এই প্রকোপে অবিভাবকরাও শঙ্কিত। শিশুদের সঙ্গে গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে তাদেরকেও।

সদর হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: আনোয়ারুল ইসলাম জানান, মেঝেতে বারান্দায় ধুলাবালি ময়লা আবর্জনায় সুস্থ হওয়ার বদলে অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা।

ঝিনাইদহ হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ও ভারপ্রাপ্ত তত্তাবধায়ক ডা: ইমদাদুল হক জানান, ভাইরাস জনিত কারণে নিউমোনিয়ার প্রকোপ বেড়েছে।

/এসএস/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত