ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭, ১ পৌষ ১৪২৪ অাপডেট : ২০ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২২ নভেম্বর ২০১৭, ১৬:২৮

প্রিন্ট

এবার দূষিত হচ্ছে ধলেশ্বরী

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে সাভারে চামড়া কারখানাগুলো সরিয়ে নেয়ায় নদী দূষণ পরিস্থিতি পাল্টায়নি। বুধবার সচিবালয়ে নদী রক্ষা ও দখলমুক্ত টাস্কফোর্স কমিটির ৩৬তম সভায় জানানো হয়, আগে বুড়িগঙ্গা দূষিত হয়েছে। এখন ট্যানারিগুলো (চামড়া কারখানা) দূষণ করছে ধলেশ্বরী নদী। এই পরিস্থিতিতে শিল্প মন্ত্রণালয়কে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে ওই বৈঠক থেকে।

সভা শেষে নৌমন্ত্রী শাজাহান খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সাভারের ট্যানারি থেকে যেন নদী দূষণ না হতে পারে প্রয়োজনে সেখানে কনসালটেন্ট নিয়োগ দেয়া হবে। কাজটি করবে শিল্প মন্ত্রণালয়। আমরা শিল্প মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি বলেছি।’

মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে এই বিষয়টি ছাড়াও শিল্প কারখানার বর্জ্য পরিশোধনে করা ইটিপি চালু না রেখে বন্ধ রাখার বিষয়টিতেও উদ্বেগ জানানো হয়। নৌমন্ত্রী বলেন, ‘নদীর তীরে গড়ে ওঠা শিল্প প্রতিষ্ঠানে ইটিপি থাকলেও তারা চালু রাখে না। পরিবেশের লোক গেলে তারা চালু করে। লোকজন চলে গেলে ফের বন্ধ করে দেয়। এতে অনেক নদী দূষিত হচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

বুড়িগঙ্গার তীরে হবে ২৮০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে

ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীর দখলমুক্ত করতে ২০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে (হাঁটার রাস্তা) নির্মাণ করা হয়েছে জানিয়ে শাজাহান খান মোট ২৮০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণের কথা বলেন। বলেন, তাহলে নদী দখল আর করতে পারবে না কেউ। এ কাজ আমরা অব্যাহত রাখব।

খাল উদ্ধার

ঢাকায় বেদখল ১৩টি খাল শনাক্ত করা হয়েছে এবং এগুলোর মধ্যে দুইটি উদ্ধার করে দখলমুক্ত রাখার জন্য দুইপাশে পাকা করার কথা জানান হয় বৈঠকে। নৌ মন্ত্রী বলেন, ‘দখলকৃত ১৩টি খালের অনেকগুলো জায়গায় অনেক স্থাপনা হয়ে গেছে। তারপরেও সেগুলো আমরা উদ্ধার করব।’

আদি বুড়িগঙ্গা উদ্ধারের সিদ্ধান্ত হওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী। বলেন, এটা উদ্ধারে অনেক জটিলতা আছে। কারণ ওখানে অনেক বড়বড় স্থাপনা হয়ে গেছে। সেগুলোকে অপসারণের জন্য ব্যবস্থা নেয়ার কার্যক্রম চলছে। তবে অনেকসময় দখলকারীরা আদালতে চলে যায়, মামলা করে। এগুলো মোকাবেলা করেই আমাদের এগুতে হচ্ছে।’

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত