ঢাকা, শনিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৮, ৮ বৈশাখ ১৪২৫ অাপডেট : ১৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৯ মার্চ ২০১৮, ০৯:০০

প্রিন্ট

নেপালে বিমান দুর্ঘটনা

কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাসে ২৩ মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্য থেকে সনাক্ত হওয়া ২৩ মরদেহ মর্গ থেকে কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাসে নেয়া হয়েছে। আজ সোমবারই ওই মরদহেগুলো দেশে এনে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করার কথা রয়েছে।

গত ১২ মার্চ কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি।  ওই দুর্ঘটনায় মোট ২৬ বাংলাদেশি নিহত হয়েছে।

নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি অসিত বরণ সরকার জানান, শনিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত মোট ২৩ জনের মরদেহ সনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। নিহত ২৬ জন বাংলাদেশির মধ্যে তিনজনকে এখনও শনাক্ত করা যায়নি। তাদেরও শনাক্তের সব ধরনের চেষ্টা চলছে।

এর আগে নেপালে থাকা বাংলাদেশ চিকিৎসক দলের সদস্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের অধ্যাপক সোহেল মাহমুদ বলেন, চিহ্ন দেখে বা অন্যভাবে ওই তিনজনকে শনাক্ত করা না গেলে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

তিনি আরও জানান, শনাক্ত করা ২৩টি মরদেহ কফিনে রাখার প্রক্রিয়া চলছে। সোমবার বিশেষ ব্যবস্থায় কফিনগুলো দেশে পাঠানো হবে। বাংলাদেশি চিকিৎসক দলের সদস্যরাও একইসঙ্গে ফিরবেন।

এই ২৩ জনের মধ্যে পাইলট আবিদ সুলতান, কো-পাইলট পৃথুলা রশীদ এবং কেবিন ক্রু খাজা হোসেন মো. শফি ও শারমিন আক্তার নাবিলা রয়েছেন।

যাত্রীর মধ্যে ফয়সাল আহমেদ, বিলকিস আরা, বেগম হুরুন নাহার বিলকিস বানু, আখতারা বেগম, নাজিয়া আফরিন চৌধুরী, রকিবুল হাসান, হাসান ইমাম, আঁখি মনি, মিনহাজ বিন নাসির, ফারুক হোসেন প্রিয়ক, তার মেয়ে প্রিয়ন্ময়ী তামারা, মতিউর রহমান, এস এম মাহমুদুর রহমান, তাহিরা তানভিন শশী রেজা, বেগম উম্মে সালমা, মো. নুরুজ্জামান, রফিক জামান, তার স্ত্রী সানজিদা হক বিপাশা, তাদের ছেলে অনিরুদ্ধ জামানকে শনাক্ত করা হয়েছে।

এমএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত