ঢাকা, সোমবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৮, ৩০ আশ্বিন ১৪২৫ অাপডেট : ৪ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৬ মে ২০১৮, ১১:৫৩

প্রিন্ট

দুই জেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

দুই জেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২
ফেনী ও নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

পুলিশের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ফেনী ও নারায়ণগঞ্জে দুইজন নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে একজন পুলিশের অস্ত্র লুট মামলার আসামি, অন্যজন তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী বলে দাবি করেছে আইনশৃ্ঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বুধবার (১৬ মে) রাত ২টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় পুলিশের অস্ত্র লুট মামলার আসামি পারভেজ (৩০) ত্রিমুখী ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। ফতুল্লার আলামিন নগর এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। নিহত পারভেজ ফতুল্লার দাপা পাইলট স্কুল এলাকার সোবহান মিয়ার ছেলে।

পুলিশের দাবি, নিহত পারভেজ ছিনতাইকারী। দুই গ্রুপের গোলাগুলির সময়ে পুলিশ সেখানে উপস্থিত হলে ত্রিমুখী বন্দুকযুদ্ধে মারা যান তিনি। পারভেজের নামে পুলিশের অস্ত্র লুটের মামলা রয়েছে। পরে ঘটনাস্থল থেকে ২ রাউন্ড গুলিভর্তি একটি রিভলবার ও ৩টি বড় ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।

জানা গেছে, ১৩ মে রাতে এএসআই সুমন কুমার পালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ফতুল্লা রেলস্টেশন রোড এলাকার একটি বালুরমাঠে ডিউটিরত অবস্থায় ছিলেন। গভীর রাতে কনস্টেবল সোহেল রানার সঙ্গে থাকা একটি চাইনিজ রাইফেল খোয়া যায়।

পর দিন সোমবার বেলা ১১টায় ফতুল্লা দাপা বালুরমাঠের পাশের একটি ডোবার পাশ থেকে রাইফেলটি উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানার এএসআই সুমন কুমার পাল, তিনজন কনস্টেবল মাসুদ রানা, আরিফ ও সোহেল রানাকে দায়িত্বে অবহেলার জন্য সাময়িক প্রত্যাহার করা হয়।

ওই ঘটনায় পরে সুমন পাল বাদী হয়ে পারভেজসহ তিনজনকে আসামি করে সোমবার রাতেই ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন। এতে অভিযোগ করা হয় পারভেজ ওই অস্ত্রটি লুট করেছিল।

ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক মজিবুর রহমান জানান, বুধবার রাত ২টায় আলামিন এলাকায় ছিনতাইকারীদের দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির খবর পায়। পুলিশের একটি দল সেখানে গেলে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে পারভেজ বন্দুকযুদ্ধে মারা যান।

অন্যদিকে ফেনীর দাগনভূঁঞায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মুসা আলম মাসুদ নামে এক সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। বুধবার ভোররাতে উপজেলার জয়লষ্কর ইউনিয়নের খুশীপুর ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মাসুদ উপজেলার জয়লষ্কর ইউনিয়নের খুশীপুর এলাকার শাহ আলমের ছেলে।

দাগনভূঁঞা থানার পরিদর্শক ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে ওই এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসী মাসুদ তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মাসুদ নিহত হন।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের বিরুদ্ধে দাগনভূঁঞা থানায় দু’টি ধর্ষণ, দু’টি ডাকাতি ও হত্যা মামলাসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। গভীর রাতে কনস্টেবল সোহেল রানার সঙ্গে থাকা একটি চাইনিজ রাইফেল খোয়া যায়। পর দিন সোমবার বেলা ১১টায় ফতুল্লা দাপা বালুরমাঠের পাশের একটি ডোবার পাশ থেকে রাইফেলটি উদ্ধার করা হয়।

ওই ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানার এএসআই সুমন কুমার পাল, তিনজন কনস্টেবল মাসুদ রানা, আরিফ ও সোহেল রানাকে দায়িত্বে অবহেলার জন্য সাময়িক প্রত্যাহার করা হয়।

ডিপি/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত