ঢাকা, সোমবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৮, ৩০ আশ্বিন ১৪২৫ অাপডেট : ১৪ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০১৮, ১৮:৪৫

প্রিন্ট

বিকাশ হেল্পলাইন থেকে কল করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

বিকাশ হেল্পলাইন থেকে কল করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ
বরগুনা প্রতিনিধি

বিকাশ কর্মীর নম্বর ও বিকাশের হেল্পলাইন নম্বর থেকে ফোন করে এক ব্যবসায়ীর ৪৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটে বরগুনায়। ভুক্তভোগী মো. লিটন একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। একই সঙ্গে তিনি বিকাশ এজেন্ট। তিনি বরগুনার ডিকেপি রোডের পানির ট্যাংক এলাকায় ব্যবসা করেন।

ভুক্তভোগী লিটন জানান, গত ৮ জুলাই রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয় বিকাশকর্মী সাইফুল ইসলাম তার ব্যবহৃত রবি নম্বর (০১৮৬৩২*****) থেকে ফোন করে বিকাশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আমার সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান। এর কিছুক্ষণ পর বিকাশের সাহায্য কেন্দ্রের নম্বর (১৬২৪৭) থেকে ফোন করে বিকাশের এজেন্ট টু এজেন্ট নম্বরে লেনদেন করার পদ্ধতি বলে দেয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে বেশ কিছু তথ্য নেন। এর পরপরই তার এজেন্ট নম্বরের অ্যাকাউন্টে থাকা ৪৯ হাজার টাকা প্রতারকরা নিয়ে যায়।

লিটনের মোবাইল ফোনের ম্যাসেজ ঘেঁটে দেখা যায়, ঘটনার দিন রোববার রাত ১১টা ৪০ মিনিটে তার এজেন্ট নম্বরে বিকাশের মোবাইল অ্যাপ ভেরিফিকেশনের একটি কোড আসে। এই কোডটি প্রতারকরা তার কাছ থেকে চেয়ে নেন। এরপর বিকাশের অ্যাকাউন্ট এবং লেনদেন-সংক্রান্ত আরও কয়েকটি ম্যাসেজ আসে তার ফোনে। তখনও প্রতারকদের সঙ্গে তার কথোপকথন চলছিল। কথোপকথনের এক পর্যায়ে প্রতারকরা তার কাছ থেকে তার এজেন্ট নম্বরের পিনকোডটিও চেয়ে নেন। এর কিছুক্ষণ পর তার অ্যাকাউন্ট থেকে তিনবারে প্রতারকরা ৪৯ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

আরো খবর: বিকাশ একাউন্ট বন্ধ হলেও টাকা ফেরত পাবেন যেভাবে

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় বিকাশকর্মী সাইফুল ইসলাম জানান, বুধবার রাতে আমার সঙ্গে ব্যবসায়ী লিটনের কোনো কথা হয়নি। প্রতারকরা বিশ্বাস অর্জনের জন্য আমার নম্বর ক্লোন করে বিকাশের এজেন্ট ব্যবসায়ী লিটনের সঙ্গে কথা বলে। এরপর তারা বিকাশের সাহায্য কেন্দ্রের নম্বরও ক্লোন করে তার সঙ্গে কথা বলে।

তিনি আরও বলেন, ওই দিন রাতে বরগুনার কেজি স্কুল এলাকার যমুনা স্টোরের বিকাশ এজেন্ট নম্বর থেকে ২০ হাজার এবং বরগুনার বেতাগী উপজেলার চান্দখালীর আরও এক বিকাশ এজেন্ট ব্যবসায়ীর অ্যাকাউন্ট থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে প্রতারকরা।

বরগুনার পুলিশ সুপার বিজয় বসাক বলেন, বিকাশে প্রতারণাটি শুধু বরগুনায় নয়, এটি একটি দেশব্যাপী সমস্যা। এ সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি প্রতারকদের আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। অচিরেই প্রতারকদের আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।

এমএএসকে/জেডএইচ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত