ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫ অাপডেট : ৪ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২০:৪১

প্রিন্ট

হুজুরের ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী

হুজুরের ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

মাদ্রাসার মুহতামিমের (প্রধান শিক্ষক) হাতে ধর্ষণের শিকার হয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা চলছে। ঘটনাটি কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি হলেন- বাইটকামারী কওমি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুল বাছেদ। তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

উত্তর বাইটকামারী গ্রামের অধিবাসী অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রীর বাবা অভিযোগ করেছেন, তার মেয়ে পূর্ব পাখিউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। প্রায় ৫ মাস আগে কোরান শিক্ষার জন্য কওমী মাদ্রাসার মুহতামিম আব্দুল বাছেদের কাছে তার মেয়েকে পাঠান। এরই সুযোগে আল্লাহ’র গজব পড়াসহ নানারকম ভয়ভীতি দেখিয়ে ছাত্রীটির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক করে তোলে ওই মুহতামিম। এ অবস্থায় ছাত্রীটির পেট বড় দেখে গত বুধবার রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করা হলে সে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বিষয়টি ধরা পড়ে। ফলে ঘটনাটি জানাজানি হয়ে পড়ে।

মেয়েটির বাবা বলেন, ‘আমি গরীব মানুষ আমার মেয়েকে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা করেছে মাদ্রাসার হুজুর। আমি কার কাছে বিচার দিমু। আমার বিচার কেড়া করবো।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. কাবেল উদ্দিন জানান, চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বার ঘটনা সম্পূর্ণ সত্য। এলাকাবাসী বসে আপোষ মীমাংসা করার কথা শুনছি। এ বিষয়ে আমার কাছে কোন পক্ষ আসে নাই।

মাদ্রাসার সভাপতি মো. আব্দুল কাদের বলেন, ‘আমি কুড়িগ্রাম ছিলাম, ঘটনা জানার পর বাড়ি আসছি। মেয়ের বাবা এখন পর্যন্ত আমার কাছে আসে নাই। মাওলানা সাব আজ মাদ্রাসায় উপস্থিত হন নাই। বাড়িতেও নাই।’

শনিবার ভোরে রৌমারী থানা পুলিশের একটি টিম রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার শেওড়া মসজিদ বাজার এলাকা থেকে অভিযুক্ত আব্দুল বাছেদকে গ্রেপ্তার করে। মামলার আইও এসআই তুহিন মিয়া জানান, বাছেদের বিরুদ্ধে নারী শিশু নিযার্তন দমন ট্রাইবুনাল ৯-এর ১ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলহাজতে পাঠানো।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত