ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫ অাপডেট : ৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০:৪৯

প্রিন্ট

আজ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মোৎসব

আজ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মোৎসব
কমল সরকার

আজ শুভ জন্মাষ্টমী। দ্বাপর যুগের শেষ দিকের এই মহাপুণ্য তিথিতে মথুরা নগরীর অত্যাচারী রাজা কংসের কারাগারে বন্দি দেবকী ও বাসুদেবের উপলক্ষ্যে বায়ুগর্ভে জন্ম নিয়েছিলেন পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ। এটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব।

সনাতন ধর্ম অনুসারে, পৃথিবীতে দুষ্টের দমন ও সৃষ্টের পালন করতে ভগবান নারায়ণ তার শ্রেষ্ঠ রুপ শ্রীকৃষ্ণ হিসেবে এই ধরাধামে আবির্ভূত হয়েছিলেন। পৃথিবীতে যখন অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম, নির্যাতন বেড়ে যায়, তখনই সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন অবতাররূপে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ (নারায়ণ) বারবার আবির্ভূত হন। শ্রীকৃষ্ণের জীবনী, অমৃতলীলা ও তার অমৃতবাণী বিশ্ব সমাজকে ভ্রাতৃত্ব ও সমপ্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করার শিক্ষা দেয়। তার দর্শন ও প্রেমের বাণী মনুষ্য সমাজে কার্যকর ভূমিকা রাখে। শুধু দুষ্টের দমনই নয়, এক শান্তিময় বিশ্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রতি বছর শ্রীকৃষ্ণের জন্মদিন সকলের মাঝে নিয়ে আসে জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে এক শুভ আনন্দময় বার্তা।

ভাদ্রমাসের শুক্লপক্ষের এই তিথি পরমাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ আবির্ভাব তিথি। বিশ্বব্যাপী সনাতন ধর্ম বিশ্বাসীগণের কাছে এই তিথির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। চাওয়া না পাওয়ার কষ্ট, প্রভুত্ববাদ আর অন্যের উপর খবরদারিত্ত্ব করার অপচেষ্টায় দিন দিন কলুষিত হচ্ছে মানব সমাজ। বিরূপ পরিবেশে কলুষিত হচ্ছে মন, বিকৃত হচ্ছে মানসিকতা। জগতের কলুষিত বন্ধন যখন জীবসত্ত্বাকে বিপথগামী করে তখন পৃথিবীব্যাপী ছেয়ে যায় অনাচার আর পাপকর্মে। ন্যায় আর সত্য তখন ঢাকা পড়ে যায় পাপের ছায়ায়। সাধু-সন্যাসীদের ঐশ্বরিক শক্তিও তখন হার মেনে যায় অপশক্তির কূটচালে। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন সময় এসেছে অনেকবার।

কৃষ্ণ চরিত্র মহাবিশ্বের মহাবিস্ময়। অখণ্ড ধর্মীয় ভারতের রূপকার কৃষ্ণ। প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর আগে ভারত সভ্যতার যিনি বিকাশ ঘটিয়েছিলেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ভারতীয় সভ্যতার শুধু জন্মই দেননি তার ভালে যৌবনের জয়টিকাও পরিয়ে দিয়েছেন।

জন্মোৎসবে জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা করাই সংগত। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম-কর্ম অভিনব ও অসাধারণ। ভাদরের আদরে কৃষ্ণের জন্ম হলেও সে রাতটি ছিল ভয়াবহ-ঝঞ্ঝা বিক্ষুব্ধ বিদ্যুৎ চমকিত। কৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল কংসের কারাকক্ষে। সংসারে ও সমাজে একটি সন্তানের জন্ম হলে সেটি উৎসবে পরিণত হয়। চারদিকে ললনাদের উলুধ্বনি ও মঙ্গলপক্ষ বাজতে থাকে। কৃষ্ণের জন্মের সময়ে কোনো উলুধ্বনি হয়নি, কোনো মঙ্গলশঙ্খ বাজেনি। বেজেছিল। বৃষ্টি উলুধ্বনি দিয়েছিল। আর বিদ্যুৎ বাজিয়েছিল মঙ্গলশঙ্খ। তাই কৃষ্ণ জনমদুঃখী। কিন্তু কৃষ্ণ শুধু নিজের জীবনের নয় জগৎজনের দুঃখও মোচন করেছিলেন। কৃষ্ণের ইতিহাস বিজয়ের ইতিহাস। কৃষ্ণের জীবনে পারিবারিক, সামাজিক, পারিবেশিক ও রাষ্ট্রীয় ঝড় ও দুঃখ নেমেছে। কৃষ্ণ কোনো দুঃখকেই এড়িয়ে যেতে চেষ্টা করেননি বরং সব দুঃখকে বুক পেতে গ্রহণ করেন এবং স্থির হয়ে তার সুষ্ঠু সমাধান দিয়েছেন। সমস্যা থেকে পালিয়ে গেলে সমস্যা কমে না বরং বাড়ে, জড়িয়ে ধরে। কৃষ্ণ তাই কোনো সমস্যা থেকে পালিয়ে যাননি। বীরবিক্রমে সম্মুখে এগিয়ে গিয়ে তার সমাধান করেছেন। বাল্যকালেও কৃষ্ণের জীবনে মরণঘাতী ঘটনা ঘটেছে। কংসবধ থেকে কুরুক্ষেত্র পর্যন্ত কৃষ্ণের জীবনে নেমেছে কঠিন ঝড়। বীরত্ব বীরত্ব বিশেষত তীক্ষ্ম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে কৃষ্ণ এসব ক্ষেত্রে বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন, বিশেষত কুরুক্ষেত্রের বিজয় কৃষ্ণকে ভারতের অদ্বিতীয় ভাবমূর্তিতে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

কংসের কারাকক্ষে জন্ম হলো কৃষ্ণের। প্রকৃতি অস্বাভাবিক। ঝড়-বৃষ্টি বিদ্যুৎপাত। পূর্ব প্রতিশ্রুতি মোতাবেক বসুদেব সদ্যজাত শিশুকে নিয়ে চললেন কংসের আগারে। দৈবকী বললেন হে আর্য, প্রতিশ্রুতি মোতাবেক তুমি (বসুদেব) সাতটি সন্তানকে কংসের হাতে তুলে দিয়ে সত্য ধর্ম রক্ষা করেছো কিন্তু একটিও ধর্ম রক্ষা হয়নি। সেটি পিতৃধর্ম। সন্তানকে সর্বতোভাবে রক্ষা করাই পিতৃধর্ম তুমি অনেকবার কংসের হাতে সন্তানকে তুলে দিয়ে সত্য ধর্ম পালন করেছো কিন্তু একটি সনির্বদ্ধ প্রার্থনা তুমি এই সন্তানটিকে কংসের হাত থেকে রক্ষা করে অন্তত একটিবারের জন্য পিতৃধর্ম রক্ষা করো। প্রিয়তমা স্ত্রী সদ্য প্রসাধনী দৈবকীর কাতর প্রার্থনায় বসুদেবের চিন্তায় মোড় খেলো, সত্যিই তো, আমি একটি সন্তানকেও যমের করালগ্রাস থেকে রক্ষা করতে পারলাম না। এটি কি পিতার কর্তব্য। হ্যাঁ দৈবকীর কথাই ঠিক। এই সন্তানটিকে নিষ্ঠুর যম কংসের হাত থেকে রক্ষা করে অন্তত একবার পিতৃধর্মকে রক্ষা করি। বসুদেব মুখ ফেরালেন। কংসের গৃহাভিমুখ থেকে গোকুলের দিকে। গোকুলে রয়েছে বসুদেবের কাকাতো ভাই নন্দ। নন্দ বসুদেবের ভাই। তা ছাড়াও পূর্বপরীক্ষিত। বসুদেবের প্রথমা স্ত্রী রোহিনীপুত্র বলরামকে নিয়ে নন্দের আশ্রয়েই তো আছে। অতএব কালবিলম্ব না করে বসুদেব ছেলেকে নিয়ে নন্দের গোকুলেই রওনা হলো। ওদিকে গোকুলে নন্দের স্ত্রী যশোদা একটি কন্যাসন্তান প্রসব করেছে। বসুদেব নন্দের সহায়তায় নিজ ছেলেকে যশোদার কাছে রেখে যশোদার কন্যাটিকে নিয়ে মথুরার দিকে যাত্রা করলেন। তখনো প্রকৃতি অশান্ত। ভোর হয়নি, পাখি ডাকেনি। কংস কন্যাটিকে পেয়ে দুই হাত ধরে পাষাণে আছাড় মারলেন। কন্যাটি কিন্তু কংসের হাত থেকে পিছলে আকাশের দিকে উঠে গেল। যাওয়ার সময় বলে গেল-আমারে মারিলি তুই, তোরে মারিবে যে, গোকুলে বাড়িছে সে।

কংস প্রশ্ন করলেন, গোকুলে কে বাড়ছে, তাকে নিধন করার জন্য? খোঁজ খোঁজ তাকে হত্যা করতে হবে। চারদিকে কংসের সেনারা বেরিয়ে পড়ল। কংসের মন্ত্রক নারদ ব্যস্ত হয়ে পড়ল। মথুরার চারদিকে বিশেষত গোকুলে কঠিন তল্লাশি চলতে লাগলো। কৃষ্ণকে খুঁজতে গিয়ে হাজার হাজার শিশুকে হত্যা করল কংসের সৈন্যরা।

কৃষ্ণকে নিয়ে নন্দ পালিয়ে গেল বৃন্দাবনের মাঠে। রাজধানীর সন্তান রাজার সন্তানকে বনবাসে বাস করতে হলো। কৃষ্ণ নিজের গুণে বনবাসকে নিজবাস করে নিল। কৃষ্ণের কতো বন্ধু কতো শখা কত খেলার সাথী। প্রতিদিন নতুন নতুন খেলা খেলে গোধন চড়িয়ে কৃষ্ণের সময় কাটে। গোকুলে একটি বাৎসরিক প্রথা ছিল। ইন্দ্রপ্রজা। পহেলা বৈশাখে এই পূজাটি হতো। ইন্দ্রপূজা হলে বৃষ্টি নামতো। কৃষ্ণ এই পুজোর পরিবর্তন সাধন করেন। কৃষ্ণ বোঝালেন যারা কৃষক তাদের গ্রীষ্ম ঋতুতে বৃষ্টি প্রয়োজন আছে। বৃষ্টি নামলে মাটি নরম হয়। কৃষকের চাষ ও বীজ বপনের সুবিধা হয়। কিন্তু গোপীদের পেশা কৃষিকাজ নয়। অতএব তাদের সঙ্গে বৃষ্টির সম্পর্ক নেই। গোপীদের মূলধন, ঘি, ঘোল বিক্রয় করে গোপদের জীবন চলে। অতএব গোপীদের যদি কোনো পূজা করতে হয় তাহলে গরুপূজা করাই উচিত। অতএব কৃষ্ণ গোপীদেবকে ইন্দ্র পূজার পরিবর্তে গোপূজা করতে বলেন। প্রচলন হলো দেব পূজার পরিবর্তে জীবিকা পূজা। জীবিকা জীবন ও জাতিকে রক্ষা করেন। অতএব জীবন ও জাতিকে রক্ষা করার স্বার্থেই জীবিকাকে অধীর করতে হবে- ভালোবাসতে হবে পূজা করতে হবে। পূজা না পেয়ে ইন্দ্র খেপে গেলে সে অনর্গল বৃষ্টি আরম্ভ করলো। লক্ষ্য গোপীদের ভাসিয়ে দেবে। কৃষ্ণ গোবর্ধন পর্বত ধারণ করে গোকুলকে রক্ষা করলেন। গোকুলের ঘন বনে প্রচুর বাঘ। মাঝে মাঝেই ছোট ছোট পাহাড়, গাছ-পালবেষ্টিত অন্ধকারাচ্ছন্ন জলাশয়। প্রায়ই গরু বাঘে নিয়ে যায় গোপীদের একমাত্র অবলম্বন গাভী বাঘে নিয়ে গেলে তাদের আর দুর্দশার অন্ত থাকতো না। কৃষ্ণ পরামর্শ দিলেন বৃন্দাবনে গেলে কেমন হয়। কৃষ্ণের পরামর্শ আহিরি পল্লী মেনে নিল। গোপেরা বৃন্দাবনে চলে গেল। এখানে বন আছে ফুলের বন। বাঘ পালানো জঙ্গল নেই। অতএব গোপীদের গাভী আর বাঘে নেয় না। তা ছাড়া বৃন্দাবনের উঁচু ভূমিতে প্রচুর ফুলের বাগান মৃদু মন্দ বাতাস। ফুলের প্রাণভরা সুগন্ধ। জোৎস্নামোদিত মৃদু চঞ্চল নদীর জল গোপীদের পাগল করে তুলল। রসিকেন্দ্র ব্রজ কিশোর কৃষ্ণ নদীর ধারের পুষ্প-গন্ধ মাতাল প্লাবিত রাতে বাঁশিতে তাল ধরলেন। সে তাল কি শুধু বৃন্দাবনকে, বিশ্বের সব বনকেই মাতাল করল। সে বাঁশি আজও বাজে। যার কান আছে সে উপলব্ধি করতে পারে।

কৃষ্ণ গোকুল ত্যাগ করে বৃন্দাবনে আসলেন। আসলো গোকুলের গোপীরা উন্নত পরিবেশের কারণে জনপদের স্থানান্তর করেননি। উন্নত পরিবেশের জন্য নিরাপত্তার কারণে কৃষ্ণ আরেকবার সভ্যতার স্থানান্তর করেছিলেন সে মথুরা থেকে দ্বারকায়। কংস বধের পর কংসের শ্বশুর মধুরা আক্রমণ করেছিল। একবার নয় দুবার নয় ১৮ বার অতএব নিরাপত্তার কারণে কৃষ্ণ মথুরা সভ্যতাকে দ্বারকায় স্থানান্তর করে।

অতএব সভ্যতার বিকাশ সাধনে ও নিরাপত্তার কারণে স্থানান্তরের দৃষ্টান্ত কৃষ্ণ স্থাপন করেছেন কৃষ্ণের বৃন্দাবন অংশের শেষ লীলা বয়স। পুষ্প-গন্ধ ব্যাকুল জোৎস্না রাতে যমুনার তীরে কৃষ্ণ বাঁশি বাজাতে আরম্ভ করল সেই বংশী ধ্বনি জগতকে মোহিত করল-মাতাল করলে গোপ নারীদের। গোপীরা সাংসারিক কাজে ব্যস্ত ছিল-তারা ভুলে গেল সংসারের কাজ। বৈষ্ণব কবিনা আর ভাগবৎ তার অপূর্ব বর্ণনা দিয়েছে। জয়দেবের গীতগোবিন্দ কাব্যেও রাসের বর্ণনা অপরূপ। তবে ভাগবতের সঙ্গে গীত গোবিন্দের সময় গত পার্থক্য লক্ষণীয়। কৃষ্ণের বাঁশির আকর্ষণে গোপ-গোপীরা যমুনা তীরে পৌঁছলে কৃষ্ণ গোপীদের ভর্ৎসনা করেছেন নারীরা স্বামী সংসারের কাজ ফেলে রাতে যমুনা তীরে আসাটা অনুচিত বলে কৃষ্ণ মনে করেছেন। শেষে কৃষ্ণ গোপীদের সঙ্গে মিশেছেন-উল্লাস করেছেন। রাসের মাধ্যমে কৃষ্ণ রসও রসময়ের সেতুবন্ধন ঘটিয়েছেন। গোপীরা কৃষ্ণের রসময় ও সর্বময় অবস্থান সম্পর্কে সম্যক উপলব্ধি করেছে ক্ষুদ্র নিবন্ধে সংক্ষিপ্তাকারে রাস পর্যন্ত আলোচনার সুযোগ এখানে নেই।

জন্মাষ্টমীর অন্য নাম কৃষ্ণাষ্টমী, গোকুলাষ্টমী, অষ্টমী রোহিণী, শ্রীকৃষ্ণজয়ন্তী। সনাতনীদের বিশ্বাস, এই দিনে উপবাসে সপ্ত জন্মকৃত পাপ বিনষ্ট হয়। আর তাই এ দিনটিতে তারা উপবাস করে লীলা পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা করেন। এর সঙ্গে যুক্ত হয়, পূজার্চনা, জন্মাষ্টমীর মিছিল ও শোভাযাত্রা।

জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে আয়োজন: আজ ভোরে শঙ্খধ্বনি ও মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে রাজধানীসহ দেশব্যাপী জন্মাষ্টমী উৎসব শুরু হয়। শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটির দিন। এ উপলক্ষে বিটিভিসহ বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে নানা আয়োজন থাকছে। সংবাদপত্রগুলো বিশেষ নিবন্ধ ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্যপরিষদ, পূজা উদ্যাপন পরিষদ, ঢাকা মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে। পূজা উদ্যাপন পরিষদ ও মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি এবারো জন্মাষ্টমী উদ্যাপনে কেন্দ্রীয়ভাবে দুই দিনের কর্মসূচি পালন করবে।

সকালে গীতাযজ্ঞ, বিকাল ৩টায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির এলাকা থেকে ঐতিহাসিক মিছিল, শোভাযাত্রা ও রাতে শ্রীকৃষ্ণ পূজা অনুষ্ঠিত হবে। মিছিল উদ্বোধন করবেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

এদিকে, জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আগামী শুক্রবার ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী।

বাংলাদেশ জার্নাল/কে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত