ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮, ১ কার্তিক ১৪২৫ অাপডেট : ৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০১৮, ১৬:৪৭

প্রিন্ট

এবার এবি ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানকে দুদকে তলব

এবার এবি ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যানকে দুদকে তলব
নিজস্ব প্রতিনিধি

বিদেশে ২ কোটি ডলার পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানে আরব বাংলাদেশ (এবি) ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান এম এ আউয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পাশাপাশি ব্যাংকটির পরিচালক বি. বি. সাহা রায়কেও দুদকে হাজিরের জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে।

রবিবার দুপুরে দুর্নীতিবিরোধী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এই তথ্য নিশ্চিত করেন। গত ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে ব্যাংকটির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) নতুন তিন পরিচালক নির্বাচন করা হয়। পরে পরিচালনা পর্ষদের সভায় নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে এম এ আউয়ালকে মনোনীত করা হয়।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, এবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এম এ আউয়াল ও পরিচালক বি. বি. সাহা রায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে তলব করে চিঠি দেয়া হয়েছে। চিঠিতে দু’জনকে সোমবার (৮ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।

একই অভিযোগ অনুসন্ধানে গত ২৮ ও ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও সাবেক দুই ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ চার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।

এদিকে রবিবার ব্যাংকটির ছয় পরিচালক ও এক ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন এবং সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান।

অন্যদিকে এ ঘটনায় ব্যাংকটির ১৬ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার চিঠি দিয়েছে দুদক। সংযুক্ত আরব আমরাতে ২ন কোটি ডলার পাচারের অভিযোগের সঙ্গে ওই সকল কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে দুদক ওই চিঠি দিয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে দুদক সূত্রে জানা যায়, পিজিএফ নামের দুবাইভিত্তিক একটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে ২০ মিলিয়ন ডলার ঋণ হিসেবে দেওয়ার কথা বললেও ওই কোম্পানির কোনো কর্মকর্তাদের নাম বা পরিচয় কাগজপত্রে দেখাতে পারেনি এবি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। বরং ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ওই টাকা ব্যক্তিগত হিসাবে স্থানান্তর করেছে। তিন কিস্তিতে ওই টাকা দুবাই যাওয়ার পর ব্যাংক হিসাব বন্ধ করে দেয় প্রতারক চক্র।

এর কোনো তথ্য এবি ব্যাংকের কাছে নেই। ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে খুররাম ও আবদুস সামাদ নামের দুই ব্যাক্তি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে। এছাড়া দুদক ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ও ঊর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তার একাধিকবার দুবাই যাতায়াতের প্রমাণ পেয়েছে।

গত ২১ ডিসেম্বর এবি ব্যাংকের প্রাক্তন চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ ও পরিচালক ব্যারিস্টার ফাহিমুল হক পদত্যাগ করেন। রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে ব্যাংকটির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) তারা পদত্যাগ করেন।

ডিপি/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত