ঢাকা, শনিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৮, ৮ বৈশাখ ১৪২৫ অাপডেট : ১১ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০১৮, ২০:০৩

প্রিন্ট

ব্যাংকিং সবচেয়ে বেশি উদ্বেগজনক খাত: বিশ্বব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝুঁকির ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে ব্যাংকিং খাতই সবচেয়ে বেশি উদ্বেগজনক খাত। এই খাতের দুর্নীতি দমনে এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় উদ্যোগ নিতে হবে। এ জন্য ব্যাংক খাতে তদারকি বাড়াতে হবে। ঋণ আদায়ে আইনগত ও আর্থিক কাঠামোর উন্নতি করতে হবে।

সোমবার আগারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ সম্মেলনে অর্থনীতির হালনাগাদ পরিস্থিতি তুলে ধরতে গিয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন সংস্থাটির ঢাকা কার্যালয়ের মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন। বিশ্বব্যাংক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রকাশ করা হয়।

জাহিদ হোসেন বলেন, রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকে তারল্য সঙ্কট না থাকলেও খেলাপি ঋণের পরিমাণ অনেক বেশি। আবার বেশ কিছু বেসরকারি ব্যাংকে তারল্য সঙ্কটও রয়েছে।

বিশ্বব্যাংক আরও জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে খেলাপি ঋণের ক্ষেত্রে তেমন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি। যা মূলধন ঘাটতির অন্যতম কারণ। গত কয়েক বছর ধরে এই ঘাটতি নিরসনে বাজেটের মাধ্যমে অর্থ দেওয়া হচ্ছে। 

জাহিদ হোসেন বলেন, মুদ্রানীতি এখন সম্প্রসারণমূলক হয়ে গেছে। বিশ্ব অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি অনুযায়ী, সতর্কতামূলক মুদ্রানীতি হওয়া উচিত।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সাময়িক হিসাবে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের ৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি হবে। এই হিসাব নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক। 

তবে বিশ্বব্যাংক মনে করে, বাংলাদেশে ৬ দশমিক ৫ থেকে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারি হিসাবে তা অতিক্রম করে ফেলেছে।

এ বিষয়ে জাহিদ হোসেন বলেন, জাতীয় আয়ের প্রকৃত হিসাব করার জন্য বড় মাপের প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োজনীয়তা আছে। বিবিএস জেলাপর্যায় থেকেও তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। অনেক অর্থনীতিবিদ বলেন, বিবিএস হলো সুপ্রিম কোর্টের মতো। যেহেতু এখানে আইনি কোনো বিষয় নেই। তাই প্রশ্ন করা যেতেই পারে। এসব বিষয়ে আরও বিশ্লেষণ করা দরকার।

এসএস

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত