ঢাকা, বুধবার, ১৮ জুলাই ২০১৮, ৩ শ্রাবণ ১৪২৫ অাপডেট : ৬ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০১৮, ১৭:২১

প্রিন্ট

রিজার্ভ চুরি: সিআইডির ফরেনসিক প্রতিবেদন ফিলিপাইনের আদালতে

রিজার্ভ চুরি: সিআইডির ফরেনসিক প্রতিবেদন ফিলিপাইনের আদালতে
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি সংক্রান্ত একটি ফরেনসিক প্রতিবেদন ফিলিপাইনের আদালতে জমা দেয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৫ জুলাই) জমা দেয়া ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হ্যাকিংয়ের মাধ্যমেই বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রিজার্ভ চুরির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দুপুরে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

‘হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের টাকা চুরি হয়েছে’ এই মর্মে বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে ফিলিপাইনের আদালতে গত ৫ জুলাই একটি ফরেনসিক প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। এসময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান উদ্দিন খান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাহিম হোসেন।

এ প্রসঙ্গে সিআইডি’র অর্গানাইজড ও ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল ইসলাম জানান, ফিলিপাইনের আদালতে জমা দেয়া ফরেনসিক প্রতিবেদনটি মামলার সাক্ষ্য হিসেবে কাজে লাগবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের রির্জাভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কির ডলার চুরি করে নেয় হ্যাকাররা। যার মধ্যে ২ কোটি ডলার শ্রীলঙ্কা এবং বাকি ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চলে যায় ফিলিপাইনের জুয়ার আসরে।

এ ঘটনার প্রায় একমাস পর বিষয়টি বাংলাদেশ জানতে পারে ফিলিপাইনের একটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর। এরপরই বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হয়। এ ঘটনা চেপে রাখতে গিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে পদ ছাড়তে হয় তখনকার বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। বড় ধরনের রদবদল করা হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ে।

পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা মানি লন্ডারিং আইনে ১০১ মিলিয়ন ডলার  চুরির অভিযোগ এনে ১৫ মার্চ (২০১৬) মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআইডিকে।

এদিকে চুরি যাওয়া অর্থের মধ্যে শ্রীলঙ্কা থেকে ২ কোটি ডলার এবং ফিলিপাইন থেকে ১ কোটি ৪৫ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার ফেরত আনা হয়েছে। ফিলিপাইনে থাকা অবশিষ্ট ৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলার (৫৪৪ কোটি টাকা) এখনো ফেরত আনা সম্ভব হয়নি। কবে আনা যাবে কিংবা আদৌ এটা আনা যাবে কিনা তা নিয়েও নিশ্চিত করে কেউ কিছু বলতে পারছেন না।

ডিপি/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত