ঢাকা, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ৩০ কার্তিক ১৪২৫ অাপডেট : ৯ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৫:০৯

প্রিন্ট

৮০০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে ইউসিবি

৮০০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে ইউসিবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্যাংকের টায়ার-২ রেগুলেটরি ক্যাপিটালের অংশ হিসেবে ৮০০ কোটি টাকার বন্ড ছেড়ে মূলধন সংগ্রহ করবে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, ইউসিবির ৪র্থ সাবোর্ডিনেট বন্ডের মেয়াদ হবে সাত বছর। বন্ডটি নন-কনভার্টিবল। অর্থাৎ এ বন্ডের কোনো অংশ শেয়ারে রূপান্তরিত হবে না। এটি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তও হবে না। মেয়াদ শেষে বন্ডটির পূর্ণ অবসায়ন ঘটবে।

ইউসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ বন্ড ছাড়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্যাংক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক ও পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে বন্ড ছাড়ার এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) করেছে দুই টাকা ৫৮ পয়সা ও শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ২৫ টাকা ৪৯ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ২৭২ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

ব্যাংকটির ঋণমান অবস্থান (ক্রেডিট রেটিং) নির্ণয় করেছে ঋণমান নির্ণয়কারী প্রতিষ্ঠান ইমারজিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)। দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং পেয়েছে ‘এএ’ এবং স্বল্প মেয়াদে ‘এসটি-২’। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের আলোকে এ রেটিং সম্পন্ন হয়েছে।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরে ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে, যা আগের বছর ছিল ২০ শতাংশ নগদ ও পাঁচ শতাংশ বোনাস। এ সময় ইপিএস হয়েছে দুই টাকা ৪৯ পয়সা এবং এনএভি ২৪ টাকা ৫০ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে চার টাকা ও ২৫ টাকা ৫৬ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ২৬২ কোটি ৭৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল ৪০১ টাকা ৬০ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি ১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাতে সাত দশমিক ২৫ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে আট দশমিক ৯। এক হাজার ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন এক হাজার ৫৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ এক হাজার ৪৮৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

কোম্পানির মোট ১০৫ কোটি ৪১ লাখ ৩০ হাজার ৬৫৪টি শেয়ার রয়েছে। মোট শেয়ারের মধ্যে ৩৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের, সরকারের শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ১৮ দশমিক ৫০ শতাংশ, বিদেশি এক দশমিক ৯৪ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৪২ দশমিক শূন্য আট শতাংশ শেয়ার রয়েছে। চলতি হিসাবচছরে প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ইপিএস হয়েছে ৩১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ১০ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে ২১ পয়সা। চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এনএভি দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৮০ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ২৪ টাকা ৫৭ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ৩২ কোটি ৭৪ লাখ ১০ হাজার টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৭৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ইপিএস ছিল এক টাকা ১৫ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস কমেছে ৪১ পয়সা। দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ ছয় মাসে ইপিএস হয়েছে এক টাকা পাঁচ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল এক টাকা ২৫ পয়সা। চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত এনএভি দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৫৪ পয়সা, যা আগের বছরের এক একই সময় ছিল ২৪ টাকা ১৪ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ৭৮ কোটি ৪২ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

সূত্র: শেয়ার বিজ

ডিপি/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত