ঢাকা, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ৩০ কার্তিক ১৪২৫ অাপডেট : ৪ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০১৮, ১১:৩৬

প্রিন্ট

পেঁয়াজের সাথে বেড়েছে আলুর দাম

পেঁয়াজের সাথে বেড়েছে আলুর দাম
ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুই সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর পাইকারি বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম ও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে দেশি পেঁয়াজেও। আর এ জন্য ব্যবসায়ীরা আমদানি কমার অজুহাত দিচ্ছেন।

শনিবার সকালে দেশের বৃহৎ পেঁয়াজের আড়ৎ রাজধানীর শ্যামবাজারে দেখা গেছে, দেশি সবচেয়ে ভালোমানের ‘কিং’ পেঁয়াজ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩৩-৩৫ টাকায়। আর চিকন ও হাইব্রিড পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৩ টাকায়। অথচ এক সপ্তাহ আগেও ‘কিং’ পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩১-৩২ টাকায়। আর হাইব্রিড পেঁয়াজ ২৯-৩০ টাকা বিক্রি হয়েছে।

এদিকে ভারতীয় ভালোমানের পেঁয়াজ কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭-২৮ টাকায়। নিন্মমানের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৩-২৫ টাকায়।

আড়ৎ মালিকরা বলছেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি কমেছে, তাই দাম বেড়েছে। এই সুযোগে দেশি পেঁয়াজের দামও বেড়েছে।

এদিকে সপ্তাহ শেষে বেশিরভাগ চালের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও কেজিতে ৭-৮ টাকা বেড়েছে পোলাওয়ের চালের দাম। এছাড়া রসুনের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও কেজিতে ১-২ টাকা বেড়েছে আলুর দাম।

একজন দোকান মালিক বলেন, কোলেস্টেরলের যে আলু ১৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে, তা এখন ১৯ টাকা, সাড়ে ১৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাইকারদের অভিযোগ সরকারি মনিটরিং না থাকায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়েছে মিলার ও আমদানিকারকরা।

অপরদিকে মসুর ডাল, আদা ও খোলা চিনির দাম রয়েছে কমতির দিকে। আর কেজিতে ২ টাকা কমে বাজারে খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা দরে। একই চিত্র ছোলা, মসুর, মুগ সহ সব ধরনের ডালের দামে। তবে ভোজ্য তেল ও বেশিরভাগ মসলার দাম অপরিবর্তিত আছে।

জেডএইচ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত