ঢাকা, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ৩০ কার্তিক ১৪২৫ অাপডেট : ১ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০১৮, ২০:১৮

প্রিন্ট

খাদ্য উৎপাদন কমে যাওয়ার শঙ্কা কৃষিমন্ত্রীর

খাদ্য উৎপাদন কমে যাওয়ার শঙ্কা কৃষিমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে দেশে খাদ্য উৎপাদন ধীরে ধীরে কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিমের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ আশঙ্কার কথা জানান। তবে একইসঙ্গে তিনি এও জানান, সরকার জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করে কৃষি উৎপাদনের চাকা সচল রাখতে বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।

কৃষিমন্ত্রীর তথ্যমতে, সরকারের নেয়া পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে স্বল্প পানি ব্যবহার করে ফসল উৎপাদনের প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, বোরো ধানের চাষাবাদ কমিয়ে আউশ ধানের চাষ সম্প্রসারণ, জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের আবাদ, ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানো, কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে জৈব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো, গম, ভুট্টা ও ডাল জাতীয় ফসলের আবাদ বাড়ানো, পরিকল্পিত শিল্পায়ন, মানুষের খাদ্যাভাস পরিবর্তন, জ্বালানি সাশ্রয়, নতুন শস্যবিন্যাস প্রবর্তন, ভাসমান সবজি ও মসলা উৎপাদন প্রযুক্তির সম্প্রসারণ প্রভৃতি।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে মতিয়া চৌধুরী বলেন, দেশে আউশ ও আমন চাষাবাদে জমি পুনর্বিন্যাস, অনাবাদি জমি আবাদের আওতায় আনা এবং দেশি জাতের পরিবর্তে আধুনিক উচ্চ ফলনশীল ধানের আবাদ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে চাল উৎপাদন বহুলাংশে বাড়ানো সম্ভব। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে পরিমাণ উল্লেখ করা বাস্তবসম্মত নয়। তবে যুক্তিযুক্তভাবে কৃষি জমির প্রাপ্যতা সাপেক্ষে ২০৩০ সাল নাগাদ ২৫ লাখ টন বাড়তি চাল উৎপাদন করা সম্ভব।

আরেক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী উৎপাদন খরচের তুলনায় কৃষিপণ্যের বাজারমূল্য কম হওয়ায় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে স্বীকার করেন। তবে একইসঙ্গে তিনি এই ক্ষতি পুষিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলোও তুলে ধরেন। মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মাধ্যমে এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত