ঢাকা, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ৩০ কার্তিক ১৪২৫ অাপডেট : ১ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ০১:৪০

প্রিন্ট

আইয়ুব বাচ্চুর জন্য কাঁদলেন জেমস, মঞ্চ ছেড়ে নেমেও যান

আইয়ুব বাচ্চুর জন্য কাঁদলেন জেমস
বিনোদন প্রতিবেদক

দুই জনপ্রিয় রকস্টার জেমস ও আইয়ুব বাচ্চু। বৃহস্পতিবার সকালে যখন আইয়ুব বাচ্চু শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, জেমস তখন রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন মেলার কনসার্টে যোগ দিতে বরগুনার পথে। পথেই তিনি বাচ্চুর মৃত্যুর খবরটি পান।

জেমস মঞ্চে উঠে চিৎকার করে কাঁদলেন। দুচোখ বেয়ে জল ফেটে পরছে। শুরুতেই শো আইয়ুব বাচ্চুকে উৎসর্গ করে, হু-হু করে কাঁদতে কাঁদতে ২-১ মিনিট গিটার বাজিয়ে, একটা গানের ২-৩ লাইন গেয়ে, আচমকা থেমে গিয়ে, ‘বন্ধুরা, আমাকে একটু ৫-১০ মিনিট সময় দাও, আমি আসছি...’ বলে মঞ্চ থেকে নেমে যান জেমস।

উপমহাদেশের অন্যতম সেরা গিটারিস্ট আইয়ুব বাচ্চুকে হারিয়ে শোকে বিহ্বল দেশ। শোকে মুহ্যমান দেশের সংগীত অঙ্গন, সমসাময়িক শিল্পী ও ব্যান্ড তারকা জেমসও শোকে মুহ্যমান। ব্যান্ডের সোনালী দিনে অনেক ডুয়েট অ্যালবামে একসঙ্গে গান করেছেন দুজন। অনেক কনসার্টেও তাদেরকে একসঙ্গে গাইতে দেখা গেছে বহুবার।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বরগুনা জেলা স্টেডিয়ামে মঞ্চে উঠে ভারাক্রান্ত জেমস বলেন, ‘কিংবদন্তি গায়ক আইয়ুব বাচ্চু আর নেই। আজকের অনুষ্ঠান হোক এটাই চাইছিলাম না। কিন্তু বাচ্চু ভাইয়েরই একটা কথা মনে পড়ে গেলো। একটা গল্প বলি। অনেক আগে একটা শোতে হাস্যোজ্জ্বল বাচ্চু ভাই বলেছিলেন- যাই হোক শো ইজ মাস্ট অন! আজও অন। আমি চেষ্টা করছি।’ এ কথাগুলো যখন বলছিলেন গলা ধরে আসছিল জেমসের। কনসার্টে কান্নাজড়িত কণ্ঠে গান গেয়ে শোনান করেন তিনি।

সাংবাদিকদের জেমস বলেন, ‘বাংলা রক সংগীতের কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চু। ১৯৮০ সালের প্রথম দিকে তার সঙ্গে আমার পরিচয়। দীর্ঘ ৪০ বছর সুখে, দুঃখে মান অভিমানে কেটেছে। হাজারো স্মৃতি। বাংলা রক সংগীতে তার অবদান বাংলাদেশ চিরদিন মনে রাখবে। ওনার এ প্রয়াণ বাংলা সংগীতের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। ব্যক্তিগত ভাবে ওনার সঙ্গে আমার সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। এটা ভাষায় প্রকাশযোগ্য নয়।’

শেষবারের মতো প্রিয় মানুষটিকে দেখতে না পারার বেদনাও ফুটে উঠলো জেমসের কন্ঠে। তিনি বলেন, ‘সরকারি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করায় শেষবারের মতো তাকে একবার দেখতে পেলাম না এ আফসোস চিরজীবন থেকে যাবে।’

বাংলাদেশ জার্নাল/জেডআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত