ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫ অাপডেট : ২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০১৮, ১১:০০

প্রিন্ট

গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা নাকি হার্টে ব্যথা?

গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা নাকি হার্টে ব্যথা?
জার্নাল ডেস্ক

বেশির ভাগ মানুষ হার্টের ব্যথা ও গ্যাস্ট্রিকের ব্যথার পার্থক্য বুঝতে পারে না। আর বুঝতে না পেরে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। আর তখন বড় বিপদ এলেও কিছু করার থাকে না। তাই প্রথমেই হার্টের ব্যথা ও গ্যাস্টিকের ব্যথার পার্থক্য এবং কেমন ধরণের হয় সেটা জানতে হবে।

গ্যাস্ট্রিকের ব্যথাঃ

সাধারণত এই ব্যথা পেটের উপরের অংশে হয় এবং নির্দিষ্ট একটা জায়গাজুড়েই হয়। শরীরের অন্য অংশে এই ব্যথা ছড়ায় না।

হার্টের ব্যথাঃ

যেহেতু আমাদের হার্ট বুকের বাম পাশে তাই হার্টের ব্যথা বুকের বামপাশ কিংবা মাঝখান থেকে শুরু হয়ে ঘাড়, বাম বাহু বা বাম হাতে ছড়িয়ে পড়ে। এই ব্যথা এতটাই তীব্র হয় যে, ভারী কিছু দিয়ে বুকে চাপ দিলে যেমনটা হয় ঠিক তেমনি অনুভব হয়।

এই ব্যথায় রোগী শুয়ে থাকলে কিংবা দাঁড়ানো অবস্থায় থাকলেও নিজেই নিজের হাতে বুকের বাম পাশটা চেপে ধরে বসে পড়েন।

হার্টের ব্যথায় প্রাথমিক চিকিৎসাঃ

যে কোন বয়সেই হার্টের ব্যথা উঠতে পারে। সেই ব্যথা কয়েক মিনিটে রোগী মারাও যেতে পারে। তবে প্রাথমিক চিকিৎসায় জীবন বেঁচে যায় অনেকের।

হার্টের ব্যথা হলে যা করবেনঃ

একসঙ্গে ৪টা এস্পিরিন ৭৫ এমজি বা ইকুস্প্রিন নামেও অনেকে চেনে পানিতে গুলিয়ে খাইয়ে দিন। কারণ লিকুইড তাড়াতাড়ি কাজ করে।

যদি মনে হয় ব্যথাটা হার্টের তাহলে জিহ্বার নিচে নিটোকার্ড নামক স্প্রে দুইবার দিন। দেখবেন রোগী অনেকটা সুস্থ বোধ করছে। এরই মধ্যে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করুন।

হার্টের ব্যথায় কখনোই যা করবেন নাঃ

হার্টের ব্যথায় রোগীর শরীরে ঠাণ্ডা ঘাম বের হওয়া স্বাভাবিক। এই ক্ষেত্রে এসি চালিয়ে দেন। এতে ঠাণ্ডায় ব্লাড গতি আরো কমে যায়।

তাই এসি না চালিয়ে স্বাভাবিক ফ্যানের বাতাসে রোগীকে রাখুন। রোগীকে সোজাসুজি না শুতে দিয়ে বরং খাটে বসিয়ে পিঠের পেছনে বালিস দিয়ে হেলান দিয়ে রাখুন।

আরএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত