ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ অাপডেট : ১ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০১৮, ১৫:০৮

প্রিন্ট

কণ্ঠস্বর পরিবর্তন কি ক্যান্সারের লক্ষণ?

কণ্ঠস্বর পরিবর্তন কি ক্যান্সারের লক্ষণ?
জার্নাল ডেস্ক

অনুভূতি প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম হলো কণ্ঠ। কিন্তু কণ্ঠস্বরের কোনো সমস্যা হলে একে তেমন গুরত্ব দেয় না অনেকেই। স্বরের উঠানামা ক্যান্সারসহ আরো অনেক রোগের লক্ষণ হতে পারে।

জন্মগত কারণ

জন্মের পর কোনো বড় অসুখ হলে বা ওষুধের রিঅ্যাকশনেও অনেক সময় কথা বলার সমস্যা তৈরি হয়। মেনেনজাইটিস জাতীয় রোগের কারণে শিশু নিজের স্বর হারাতে পারে।

শৈশবের অসুখ

অনেক সময় ২-৫ বছরের শিশুরা হিউম্যান পাপিলোমা ভাইরাসে আক্রান্ত হয় এবং তাদের কণ্ঠনালিতে ছোট ছোট টিউমার হয়। যা থেকে শ্বাসকষ্ট এবং স্বর পাল্টে যেতে পারে। এই রোগ হলে গলায় ছিদ্র করে লেজার ট্রিটমেন্ট করে চিকিৎসা করা হয়। এছাড়া কণ্ঠনালির যক্ষ্মা হলেও স্বরের পরিবর্তন ঘটে।

বয়ঃসন্ধিতে স্বরের পরিবর্তন

সাধারণত ১২ বছর বয়স পর্যন্ত সকলেরই স্বর একই রকম থাকে। লিঙ্গ হরমোন এবং থাইরয়েড হরমোনের নানা পরিবর্তনের কারণে স্বরেরও পরিবর্তন হয়। এই সময় যদি স্বর না পাল্টায় তবে সেটাও একটা সমস্যা।

ক্যান্সারের কারণে

অতিরিক্ত ফাস্ট ফুড খাওয়ার ফলে খাদ্যনালিতে অ্যাসিড রিফ্লেক্স বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেও স্বর পাল্টে যায়। এছাড়াও অতিরিক্ত ধূমপানের ফলে ৩৫ বছরের পরে যদি কারো স্বরের অস্বাভাবিক পরিবর্তিত ঘটে তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ এটি ক্যানসারের লক্ষণও হতে পারে। এছাড়া ফুসফুস ক্যান্সারের ফলেও এমনটি হতে পারে।

সমাধান

প্রয়োজনে চিকিৎসা ও ওষুধের সাথে স্পিচ থেরাপি বা সার্জারি করতে পারেন।

যাদের গলা ভেঙে যায় তাদের ফাস্ট ফুড যতটা সম্ভব কম খাওয়া উচিত। এছাড়া দিনে ৪-৫ লিটার স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি খান।

এক টানা কথা বলার সময় একটু বিরতি নিয়ে অল্প পানি খেয়ে আবার কথা বলুন। অস্বস্তি হলে জোর করে কথা না বলাই উচিত।

আরএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত