ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭, ১ পৌষ ১৪২৪ অাপডেট : ৭ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৭, ১৬:০৫

প্রিন্ট

বানর যখন 'পার্সন অব দ্য ইয়ার'!

বানর নারুতো। ছবি: এশিয়া ওয়ান
জার্নাল ডেস্ক

হাসিমুখে একটি সেলফি তোলার পর রীতিমতো বিখ্যাত হয়ে গেছে ইন্দোনেশিয়ার বানর 'নারুতো'। তার তোলা সেলফিটি ইতোমধ্যে জায়গা করে নিয়েছে মার্কিন কপিরাইট আর্কাইভে। আর বুধবার তাকে 'পার্সন অব দ্য ইয়ার' উপাধিতে ভূষিত করেছে অ্যানিমেল রাইটস গ্রুপ 'পিপল ফর দ্য এথিকাল ট্রিটমেন্ট অব অ্যানিমেলস (পেটা)'।

পেটা জানায়, ঝুঁটিওয়ালা কৃষ্ণবর্ণ এবং হাসি হাসি চেহারার বুদ্ধিদীপ্ত নারুতোকে সম্মান জানাতেই এই পদক্ষেপ। তাদের ভাষায়, 'নারুতো কিছু একটা নয় বরং কেউ একজন।'

২০১১ সালেও একবার নিজের বুদ্ধির স্বাক্ষর রেখেছিল নারুতো। সেবার সুলাওয়েসি দ্বীপে ছবি তোলার সময় ব্রিটিশ ফটোগ্রাফার ডেভিড স্ল্যাটার এর ক্যামেরার শাটার বাটন টিপে দিয়েছিল সে।

অল্প সময়ের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল সেই ছবিগুলো। আর তখন ছয় বছর বয়সী নারুতোকে তার তোলা ছবির চিত্রগ্রাহক এবং স্বত্বাধিকারী হিসেবে স্বীকৃতিদানের দাবি জানায় পেটা।

বুধবার এক বিবৃতিতে পেটার প্রতিষ্ঠাতা ইনগ্রিড নিউকির্ক বলেন, 'নারুতোর সেলফি তার ব্যক্তিত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। নিজের সম্পত্তির মালিকানা দাবি না করেও প্রথমবারের মতো সে একজন স্বত্বাধিকারী।

পশুর ব্যক্তিত্ব অধিকার এবং সম্পত্তি অর্জনের বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক আইনজ্ঞরাও হয়ে পড়েছিলেন দ্বিধাবিভক্ত।

ব্রিটিশ সাংবাদিক স্ল্যাটার জানান, ট্রাইপড সেট করে কটু দূরে গেলে একপর্যায়ে বানরটি এসে তার ক্যামেরা তুলে নিয়ে ছবি তুলতে আরম্ভ করে।

প্রথম শুনানিতে ওই সাংবাদিকের পক্ষে রায় এলেও পরবর্তীতে উচ্চতর আদালতে আপিল করে পেটা।

মারাত্মক বিপন্ন ওই বানর প্রজাতির ক্ষতি না করার জন্য এলাকাবাসীকে সচেতন করার কাজ করছে সুলাওয়েসির স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং অ্যাক্টিভিস্টরা। উল্লেখ্য, মূলধারার জনগোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন ওই গ্রামের অধিবাসীরা অন্যান্য বিভিন্ন পশুর মতো এই বানরের মাংসও খেয়ে থাকে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

/এসএস/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত