ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫ অাপডেট : ১ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০১৮, ০৯:১২

প্রিন্ট

কলকাতায় ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা

কলকাতায় ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা
কলকাতা প্রতিনিধি

বাংলাদেশের মহান স্থপতি এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) কলকাতায় ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভার মূল উদ্যোক্তা ছিলো বাংলাদেশের প্রথম মিশন কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-দূতাবাস।

কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসের উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসান-এর সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধুর বিদ্যাপীঠ কলকাতার মৌলানা আজাদ কলেজ (পূর্বতন ইসলামিয়া কলেজ) এর রেজা আল ওয়াশাখ হলে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড, মিজানুর রহমান, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সম্মাননা প্রাপ্ত ও ভারতের দুরদর্শনের সাবেক কর্মকর্তা পঙ্কজ সাহা এবং কলকাতার মৌলানা আজাদ কলেজ-এর অধ্যক্ষ ড. সুভাশিস দত্ত।

আলোচনা সভায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা বাংলার কথা বললেও তারা ছিলো যুগে যুগে বাঙালিত্বে বিরোধীতা করা ধর্মাশ্রয়ো প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী। যারা বাংলাদেশে জন্মগ্রহন করেও বাংলা ভাষা, বাঙালির স্বায়ত্বশাসন ও সর্বোপরি স্বাধীকার আন্দোলনের বিরোধীতা করেছিলো। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশকে আবার পূর্ব পাকিস্তানে রুপান্তর করা হয়েছিলো। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা জয়বাংলার বদলে 'বাংলাদেশ জিন্দাবাদ' প্রতিষ্ঠা করেছিলো। তারাই ‘পহেলা পাকিস্তান হামারা, খতমে পাকিস্তান’ এর বদলে ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’ কায়েম করেছিলো। আজ বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তথা জননেত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে অনেক পথ এগিয়েছেন, যা বিশ্ববাসীর কাছে উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে আজ বিবেচিত হয়েছে।

কলকাতার মৌলানা আজাদ কলেজ-এর অধ্যক্ষ ড. সুভাশিস দত্ত তার বক্তব্যে বলেন, আমি অত্যন্ত সৌভাগ্যবান যে, বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে কলেজে পড়েছিলেন ও নেতৃত্ব দেয়ার দক্ষতা অর্জন করেছিলেন আমি এখন সেই প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ। বাঙালিত্বের যে তত্ব বঙ্গবন্ধু সূচনা করেছিলেন সেই আদর্শের কারণেই আজ বিশ্বে প্রকৃত বাঙালিত্বের অস্তিত্ব রয়েছে।

কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসের উপ-হাইকমিশনার তৌফিক হাসান বলেন, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক এবং অভিন্ন। বঙ্গবন্ধুর সাহসী ও বীরত্বপূর্ণ নেতৃত্বের জন্য বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশের জায়গা হয়েছে। এদিন অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘চিরঞ্জীব বঙ্গবন্ধু’ শিরোনামে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসএস

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত