ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ অাপডেট : ১৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০

প্রিন্ট

কর্মীদের ২০ কোটি টাকার বোনাস প্রদান!

কর্মীদের ২০ কোটি টাকার বোনাস প্রদান!
অনলাইন ডেস্ক

নিজের পরিচারিকা, ড্রাইভার ও কর্মীদের ২০ কোটি টাকার সম্পত্তি বোনাস দিলেন এক ব্যবসায়ী।

ভারতের চেন্নাইয়ের ‘ক্যাপিটাল ফার্স্ট’ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বৈদ্যনাথন ভেম্বু। তিনি সংস্থার ড্রাইভার, পরিচারিকা ও অনন্য কর্মীদের প্রায় ২০ কোটি টাকার সম্পত্তি বোনাস দিলেন। তবে বৈদ্যনাথনের বক্তব্য, এই মানুষগুলোর সংস্থার প্রতি ভালবাসায় তিনি কৃতজ্ঞ। এই দান সেই কৃতজ্ঞতারই প্রতিফলন।

মাঝারি, ছোট ও ক্ষুদ্র শিল্পপতিদের ঋণ দেয় ক্যাপিটাল ফার্স্ট। সংস্থা প্রতিষ্ঠার সময় মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বৈদ্যনাথন। তবে তার সঙ্গে আরও কয়েকজন মিলে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। সংস্থার তরফে এক বিবৃতিতে বৈদ্যনাথনকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ‘সংস্থার চেয়ারম্যান তার ব্যক্তিগত মালিকানায় থাকা কিছু সম্পত্তি তার সহকর্মী ও প্রিয়জনদের দান করে দিতে চান।’ তবে সম্পত্তি নগদ টাকা নয়। বৈদ্যনাথের হাতে থাকা সংস্থার ৪.২৯ লাখ শেয়ার। বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের হিসেবে (প্রতিটি শেয়ারের দাম ৪৭০-৪৮০ টাকা) যার বাজার মূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।

আর এই বিপুল সম্পত্তির কে কত পাবেন? সেটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন বৈদ্যনাথন। এর মধ্যে তার ২৩ জন সহকর্মী এবং তিন জন প্রাক্তন কর্মীর প্রত্যেককে ১১ হাজার শেয়ার দিয়েছেন। ৬৫০০ করে শেয়ার পাবেন তার পাঁচ জন ব্যক্তিগত কর্মী, যার মধ্যে তার গাড়ির চালক এবং পরিচারিকাও রয়েছেন। বাকি ১ লাখ ১০ হাজার শেয়ার বৈদ্যনাথন বিলিয়েছেন এমন আত্মীয় পরিজনদের, যারা সরাসরি তার উত্তরাধিকার নন। তবে এই বিপুল সম্পত্তির প্রাপকদের অবশ্য আয়কর দিতে হবে।

এই সম্পত্তি দেওয়ার আগে ‘ক্যাপিটাল ফার্স্ট’ সংস্থায় বৈদ্যনাথের মালিকানায় ছিল ৪০.৪ লাখ শেয়ার। এখন সেটাই কমে দাঁড়িয়েছে ৩৬.১১ লাখ। আর এই খবর সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকেই বলছেন, ‘২০১৮ সালের সেরা বস’ বৈদ্যনাথন।

বৈদ্যনাথনের বক্তব্য হিসাবে সংস্থার ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘২০১০ সালে প্রতিষ্ঠার সময় ‘ক্যাপিটাল ফার্স্ট’-এর কার্যত অস্তিত্বই ছিল না। ২০১২-১৩ সালে ভারতের অর্থনীতির অবস্থাও ছিল টালমাটাল। সেই সময় কোনও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান গঠন করে সেটা দাঁড় করানো ছিল বিরাট চ্যালেঞ্জের। তবু সেই দুঃসময়ে মোটা টাকার চাকরি ছেড়ে আমার সঙ্গে এসে কাজ করেছেন। কঠোর পরিশ্রম করেছেন, সংস্থার নীতি বাস্তবায়িত করেছেন, অনেক উদ্ভাবনী ভাবনা নিয়ে এসেছেন। সেই সব কিছুর কৃতজ্ঞতা হিসাবেই এই দান।’

বাংলাদেশ জার্নাল/জেডআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত