ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫ অাপডেট : ৫৪ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৫:৪৩

প্রিন্ট

দেখে আসুন রঙিন চিনামাটির পাহাড়

দেখে আসুন রঙিন চিনামাটির পাহাড়
জার্নাল ডেস্ক

উত্তরে ভারতের মেঘালয়ের গারো পাহাড়ের পাশ দিয়ে বয়ে চলা কংস নদ আর সোমেশ্বরী নদীর কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা অপরূপ শান্ত ছোট জনপদ দূর্গাপুর, বিজয়পুর এবং বিরিশিরি।

এখানে রয়েছে সবুজ গারো পাহাড়, লাল, বেগুনি রঙের চিনামাটির পাহাড়। বিরিশিরির কাছ থেকেই বয়ে চলা সোমেশ্বরী নদী। তবে বিরিশিরির মূল আকর্ষণ চিনা মাটির পাহাড়। সবুজে ঘেরা পরিবেশের সাথে পাথড়ের মতো শক্ত চিনা মাটির পাহাড়। চিনামাটির পাহাড়ের বুক চিড়ে চলে গেছে অবাক সুন্দর নীলচে-সবুজ পানির হ্রদ।

শুধু বিজয়পুর নয় এই বিরিশিরিতে আরও কিছু দর্শনীয় স্থান রয়েছে। কয়েক কিলোমিটার দূরে ভারত সীমান্তে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ, সুসং রাজার ঐতিহাসিক বাড়ি, বিরিশিরি কালচারাল একাডেমি, রানীখং গীর্জা, ব্যাপটিস্টদের গীর্জা। পাহাড়ের উপর এই গীর্জাগুলো অবস্থিত।

এগুলো ক্যাথলিক গীর্জা। বিরিশিরিতে ভ্রমণের সবচেয়ে সেরা সময় হচ্ছে শরৎকাল। তবে এখানে যাওয়ার সময় সাথে পর্যাপ্ত পানি, স্যালাইন, আরামদাময়ক জুতা ও পোশাক, ছাতা ইত্যাদি রাখা ভাল। গোসল করার সময় সাবধান থাকুন কারণ হঠাৎ পানির গভীরতা বাড়তে পারে।

থাকা-খাওয়া: সোমেশ্বরীর এপারে উকিলপাড়া ও দুর্গাপুর বাজার এবং শিবগঞ্জ বাজারেই ভারী খাবার খেতে পারবেন। আর রাতে থাকার জন্য দুর্গাপুর বাজার এলাকায় বেসরকারি কিছু হোটেল রয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে উপজেলা ডাকবাংলো এবং কালচারাল একাডেমির রেস্ট হাউস।

যাতায়াত ও ভ্রমণ খরচ: কম খরচে যদি বিরিশিরি ট্যুর দিতে চান তাহলে ট্রেনে যেতে হবে। কারণ বাসে যেতে জন প্রতি নূন্যতম ৩০০ টাকা লাগবে। তবে ট্রেনে মাত্র ৮০ টাকাতেই হয়ে যাবে। ঢাকা থেকে ২৪ ঘন্টায় ১টি মাত্র ট্রেন যায়, যেটা বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যায় ভোর ৪.০০/৪.৩০ তে। সেখান থেকে দূর্গাপুর যেতে ট্রলার বা মোটরসাইকেল আছে। ট্রলারে খরচ পরবে ৫০ টাকা।

আরএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত