ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫ অাপডেট : ৯ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০১৮, ১২:৩০

প্রিন্ট

কম টাকায় সুখী থাকবেন যেভাবে

কম টাকায় সুখী থাকবেন যেভাবে
জার্নাল ডেস্ক

সুন্দর করে বাঁচতে মনের সুখ চান সবাই। আর এর জন্য অনেক অর্থ ব্যয় করে ইয়োগা ক্লাস, ব্যয়বহুল স্পা অথবা বিভিন্ন দেশে লম্বা অবকাশ যাপন কিন্তু সব সময়ে কার্যকর নাও হতে পারে। কম খরচেও সুখী, স্বস্তিকর এবং সুন্দর করে জীবন গড়ে তুলতে পারেন। জেনে নিন সেই উপায়গুলো কী কী।

ঘরকে সবুজ করে তোলা

ঘরের ভেতর গাছপালা বিভিন্ন ধরণের চাপ কমিয়ে দেয় এবং আপনার সুখকে বাড়িয়ে দেয়। কিছু কিছু গাছ বায়ুকে বিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে কারণ তারা বায়ু থেকে ক্ষতিকর রাসায়নিককে টেনে নেয়।

শরীরের পানির মাত্রা ঠিক রাখা

প্রাপ্তবয়স্ক একজন নারীর শরীরে ৫৫ শতাংশ এবং পুরুষের শরীরে ৬০ শতাংশ কার্যক্ষমতার জন্য পানি প্রয়োজন। সেকারণে শরীরে পর্যাপ্ত জলীয় থাকলে সুস্বাস্থ্য, শক্তির মাত্রা বাড়া এবং মনোযোগের শক্তি বাড়ে। যদি প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে না পারেন তার সাথে লেবু বা শসা কিংবা আদার টুকরো মেশাতে পারেন।

ঘরকে দিন নতুন রূপ

ঘরকে নতুন রূপ দিতে চাইলে শোবার ঘর থেকে শুরু করুন। মুক্ত বাতাসের জন্য জানালা খুলে দিন, যতটা সম্ভব দিনের আলো ঘরে ঢোকার ব্যবস্থা রাখুন। বিছানার তলা পরিচ্ছন্ন রাখুন। আপনি চাইলে চীনের প্রাচীন ফেং শুই পদ্ধতিতে ঘর পরিষ্কার করতে পারেন। এই পদ্ধতিটি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন।

রঙ তুলিতে ঘর সাজান

বাড়ির দেয়ালে এক ধরণের রঙ না করে একটু ভিন্নতা আনতে পারেন। রঙ তুলি দিয়ে সবুজ রংয়ের প্রকৃতি দেয়ালেই তুলে ধরতে পারেন। এই রং ঘরের ভেতর ভারসাম্য এবং শিথিলতা এনে দিতে পারে। নীল রং প্রশান্তির এক অনুভূতি তৈরি করে। তবে লাল রং এড়িয়ে যাওয়া উচিত কারণ তা আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসকে দ্রুত করে যা রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।

পাখিদের গান

যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানীদের নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, পাখিদের গান বা কিচির-মিচির শব্দ মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। পাখির গান, গাছপালা এবং আকাশ মানসিক প্রশান্তি এনে দেয়।

পোষা বিড়াল

গবেষণা বলছে, বিড়াল পোষার ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে। চার হাজারের বেশি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকের ওপর দশ বছর ধরে গবেষণা করেছে ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটার স্ট্রোক ইন্সটিটিউট ইন মিনেপলিস এর গবেষকরা। তারা বলছেন, বিড়াল পোষে এমন ব্যক্তিদের অন্যদের তুলনায় হার্ট অ্যাটাকে কিংবা স্ট্রোকে মৃত্যুর হার ৩০ শতাংশ কম।

হাসুন অনেক

নির্মল হাসি আমাদের পেশিগুলোকে আলগা করে, রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে, নাইট্রিক অক্সাইড বের করে দেয়, যার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। হাসি স্ট্রেস হরমোন কমায় এবং শরীরের এন্ডোরফিন শিথিল করে যা প্রাকৃতিক ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে।

পর্যাপ্ত ঘুম

সুস্থতা এবং ভাল থাকার জন্য খাবার এবং ব্যায়ামের মতো মানসিক এবং শারীরিক বিশ্রাম খুব গুরুত্বপূর্ণ। ঘুম স্ট্রেস হরমোন, উদ্বেগ এবং বিষণ্ণতা কমায়।

সূত্র বিবিসি বাংলা

আরএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত