ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫ অাপডেট : ৫ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০১৮, ১১:১৭

প্রিন্ট

বার্ধক্য কি পরাধীনতা?

বার্ধক্য কি পরাধীনতা?
জার্নাল ডেস্ক

আজ ১ অক্টোবর ইন্টারন্যাশনাল সিনিয়র সিটিজেন ডে। ১ অক্টোবর একটা বিশেষ দিন। ১৯৯১ সালের এই দিন প্রবীণ মানুষদের সম্মানে প্রথমবার ছুটি পালিত হয়েছিল।

১৯৯০ সালে ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলি ১ অক্টোবরকে ইন্টারন্যাশনাল ডে অব ওল্ডার পার্সনস বলে চিহ্নিত করে।

এর আগে আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগন ১৯৮৮ সালে ২১ আগস্টকে ইন্টারন্যাশনাল ডে ফর সিনিয়র সিটিজেন ঘোষণা করেন।

প্রতি বছর ওই দিনটি প্রবীণদের সম্মান ও স্বাধীনতার সঙ্গে বেঁচে থাকার কথা ঘোষণার মাধ্যমে পালিত হয়।

বৃদ্ধাশ্রম। ঘরের বাইরে ঘর। মানুষগুলোর মধ্যে রক্তের কোনো বন্ধন নেই। তবু যেন বহু বছরের আত্মীয়তায় বাঁধা পড়ে আছেন সবাই।

এখানে আসার গল্প সবার ক্ষেত্রে এক রকম নয়। কেউ আসেন নিজের পেনশনের টাকায় স্বাধীন ভাবে বাঁচবেন বলে, কেউ আসেন তাদের দেখাশোনা করার কেউ নেই বলে, আর কেউ বা নিজেকে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছিলেন না বলে। আবার কেউ সত্যি সত্যি সন্তানদের অবহেলার শিকার হয়েও বৃদ্ধাশ্রমে আসেন।

কেমন আছেন তারা? কেমন ভাবে দিন কাটে তাদের? ফেলে আসা জীবনের কথা কতটা মনে পড়ে? বিভিন্ন উৎসবে কী করেন তারা?

এখানে আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, একাও লাগে। তবুও অনেকের কাছে এখানে আছে শান্তি, আনন্দ স্বাধীনতা। মৃত্যুর মাঝেই শান্তি, আনন্দ খুঁজে নিতে শিখে যায় এঁরা। তাদের জীবন নিজের মতো করে বয়ে চলে।

যদিও কর্মক্ষমতা হারানোর ফলে জীবনযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা হয়ে পড়ে কঠিন। এখানে যতই স্বাধীন ভাবে বাঁচার কথা বলা হোক না কেন, বার্ধক্যজনিত একটা পরাধীনতা তো আসেই। তাই এই বার্ধক্যজনিত পরাধীনতাকে হারানোই সিনিয়র সিটিজেন ডে-র প্রত্যয়।

আরএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত