ঢাকা, বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮, ২ কার্তিক ১৪২৫ অাপডেট : ২ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৭:১৮

প্রিন্ট

বিএনপির আন্দোলনের হুমকি ‘হাস্যকর’

বিএনপির হুমকি হাস্যকর
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিভিন্ন দাবিতে বিএনপির আন্দোলনের হুমকি হাস্যকর বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বুধবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

রাজপথে না নামলে খালেদা জিয়ার মুক্তি হবে না বিএনপি নেতাদের এমন হুমকির জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ১০ বছর ধরে তারা চেষ্টা করছে। ১০ বছরে জনগণ তাদের আন্দোলনে সাড়া দেয়নি। জনগণ যদি সাড়া না দেয়, ১০ বছরে যেটা পারেনি, আগামী ২ মাসে সেটা পারবে এটা পাগলেও বিশ্বাস করবে না। এটা একটা হস্যকর বিষয়।

তিনি বলেন, বেশি দেরি নেই, আমি দেখেছি মিডিয়াতে যে তারা এক মাসের মধ্যে পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছে এ স্বপ্ন এবারো দুঃস্বপ্নে রূপ নেব। কারণ তাদের এই স্বপ্নের সঙ্গে জনগণের কোন সংযোগ নেই। জনগণ যদি সাড়া না দেয়, তাহলে আন্দোলন করবে কাকে নিয়ে।

বিএনপি দেশকে বিদেশিদের কাছে ছোট করেছে অভিযোগ করে কাদের বলেন, জাতিসংঘে গিয়ে কান্নাকাটি করলো, বিদেশিদের কাছে কান্নাকাটির শেষ পর্ব সমাপ্ত, সব নালিশ করে অবশেষে জাতিসংঘে গিয়ে নালিশ করলো। সেখানে বাংলাদেশকে ছোট করলো, অসম্মান করলো, আমাদের দেশের জনগণকে, আমাদের গণতন্ত্রকে তারা অপমান করলো।

তিনি বলেন, আমার প্রশ্ন হচ্ছে যারা জাতিসংঘ মহাসিচবের নামে যারা ভুয়া সংবাদ পরিবেশন করে, জাতিসংঘ মহাসচিবকে নিয়ে যারা ব্লাকমেইলিং করে তাদের বাংলাদেশে ব্লাকমেইলিং করার দিন শেষ হয়ে গেছে।

নির্বাচনকালীন ছোট সরকার কবে নাগাদ হবে এমন প্রশ্নে জবাবে কাদের বলেন, আশা করি অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে হয়ে যাবে। কত সদস্য সেটা বলতে পারবো না, তবে পার্লামেন্ট মেম্বারের বাইরে কেউ এই সরকারে থাকবে না, এটা একটু সাইজে ছোট হবে। কারণ এই সরকার মেজর পলিসি ডিসিশনে থাকবে না। শুধু রুটিন ওয়ার্ক করবে। এসময় মূল দায়িত্বটা থাকবে নির্বাচন কমিশনের হাতে। নির্বাচনটা পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন।

তিনি বলেন, নির্বাচন করার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা থেকে শুরু করে যে সব প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, মন্ত্রনালয় দরকার সেগুলো নির্বাচন কমিশনের অধীনে ন্যস্ত হবে। সরকার শুধু নির্বাচন কমিশনকে ফ্যাসিলেইটেড করবে, সহযোগিতা করবে। তারা যে যে বিষয়গুলো চায়।

নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়নের বিষয়ে তিনি বলেন, যেহেতু সেনাবাহিনী নির্বাচন কমিশিনের অধীনে ন্যস্ত হবে না সেজন্য সেনাবাহিনীর ব্যাপারটা সরকারকে অনুরোধ করেত হবে যদি প্রয়োজন বোধ করে। আর সরকার মনে করে প্রয়োজন অনুযায়ী সময়ের নিরিক্ষে কিভাবে মোতায়ন করা যায়। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে তো মোতায়নের একটা বিষয় আছে। এটা প্রয়োজন এবং সময় বলে দেবে কিভাবে সেনাবাহিনী মোতায়ন হবে।

বিএনপির বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা নেই দাবি করে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, আইনের প্রতি অনাস্থা তাদের চিরদিনের। তারা আইন মানে না, নিয়ম মানে না, সংবিধান মানে না। তারা তো মানি না মানবো না। বিএনপির অপর নাম মানি না মানবো না।

টিও/এমআর/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত