ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫ অাপডেট : ৩ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০১৮, ২০:০২

প্রিন্ট

রাজাকারের বাচ্চাদের ‌‘রাজাকারের বাচ্চা’ বললে অসুবিধা কোথায়?

রাজাকারের বাচ্চাদের ‌‘রাজাকারের বাচ্চা’ বললে অসুবিধা কোথায়?
জার্নাল ডেস্ক

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মোটেও রাজাকারের বাচ্চা বলেননি, বরং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি তিনি সহানুভূতিই দেখিয়েছেন বলে মন্তব্য করছেন সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ. আরাফাত।

তিনি তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন, মতিয়া চৌধুরীর পুরো বক্তব্যটি শুনলাম। পরিষ্কার বক্তব্য। এ বক্তব্য শোনার পর আমি জোর দাবি করে বলতে পারি যে তিনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মোটেও রাজাকারের বাচ্চা বলেননি, বরং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি তিনি সহানুভূতিই দেখিয়েছেন। মতিয়া চৌধুরী রাজাকারের বাচ্চা বলেছেন আসল রাজাকারর বাচ্চাদের। যে রাজাকার শাবকগুলো আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে জঙ্গি কায়দায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্যের বাসায় আক্রমণ করেছে তারা এই আন্দোলনকেও ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যেই তা করেছে।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের যৌক্তিকতা থাকতে পারে। কোথাও তারা ঠিক, কোথাও হয়তো ভুল। আলোচনার মাধ্যমে একটা যৌক্তিক এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানোর অনেক সুযোগ আছে। কিছু কিছু দাবি এর মধ্যেই গ্রহন করাও হয়েছে। কিন্তু উপাচার্যের বাসায় জঙ্গি কায়দায় আক্রমণ কেন? আমিও বলতে চাই এই আক্রমণকারীরা অবশ্যই রাজাকারের বাচ্চা। রাজাকারের বাচ্চাদের রাজাকারের বাচ্চা বললে এতে অসুবিধা কোথায়?

বাংলাদেশে আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি কিন্তু এদের রক্তের এবং অসৎ আদর্শের উত্তরাধিকারীরা এখনও এই সমাজে লুকিয়ে আছে। এবং এরা ওঁত পেতে বসে থাকে পানি ঘোলা পেলেই মাছ শিকার করতে। এ বাস্তবতাকে অস্বীকার কে করতে পারে!

যে কথা এই আসল রাজাকারের বাচ্চাদের বলা হয়েছে তা অযৌক্তিক ভাবে নিজের গায়ে উপরে নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখানোর কী আছে? এরকম বোকামি করলে আমরা সবাই মিলেই পরাজিত হবো, জিতে যাবে ঐ রাজাকারের বাচ্চারাই।

-অধ্যাপক এ. আরাফাতের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত।

এসআইএস/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত