ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ২০১৮, ২ ভাদ্র ১৪২৫ অাপডেট : ১৫ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০১৮, ১৩:৫২

প্রিন্ট

আসাম ইস্যুতে মমতাকে এক হাত নিলেন তসলিমা

আসাম ইস্যুতে মমতাকে এক হাত নিলেন তসলিমা
অনলাইন ডেস্ক

আসামের জাতীয় নাগরিকত্ব নিবন্ধন (এনআরসি) নিয়ে একাধিক টুইট করেছেন বিতর্কে বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তেমনি এক টুইটবার্তায় তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। মমতার ‘বাঙালি দরদ’ নিয়ে মমতাকে এক হাত নিতেও ছাড়েননি তিনি।

মঙ্গলবার (৩১ জুলাই) এক টুইটে তিনি মমতাকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘আসামের খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়া  ৪০ লাখ বাংলাভাষী লোকজনের প্রতি মমতার দরদ উথলে উঠছে। এমনকি তিনি আসামের ওইসব পরিত্যক্ত লোকজনকে পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় দেয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন।’

এরপরই তসলিমার প্রশ্ন, ‘তাহলে তিনি আমার প্রতি কোনও সহানুভূতি দেখালেন না কেন, যখন তার প্রতিদ্বন্দ্বী দল আমাকে কলকাতা থেকে বের করে দিয়েছিল?’

নির্বাসিত এই লেখিকা গত বুধবার (১ আগস্ট) অন্য এক টুইটবার্তায় বলেন, ভারতে যথেষ্ট সংখ্যক মুসলিম অধিবাসী আছেন। সে দেশে প্রতিবেশী দেশের মুসলিমদের আর দরকার নেই। তবে দেশের দরকার না থাকলেও, ভারতীয় রাজনীতিবিদদের এই মুসলিমদের দরকার আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেই যে এই মন্তব্য করেছেন তা স্পষ্ট। কেননা মমতা শুরু থেকেই আসামের এই নাগরিক তালিকার বিরুদ্ধে সোচ্চার রয়েছেন। এ নিয়ে ক্ষমতাসীন বিজেপি দলের সঙ্গে অঘোষিত যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, প্রায় আড়াই দশক আগে বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত হন তসলিমা নাসরিন। ২০০৪ সাল থেকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র নিয়ে কলকাতায় থাকতেন তিনি।

নির্বাসিত এই লেখিকাকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে ২০০৭ সালে উত্তাল হয়ে ওঠেছিল কলকাতা। তখনকার বাম সরকার তসলিমার দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করলে জয়পুরে চলে যান তিনি। সেখানে কিছুদিন থাকার পর যান দিল্লিতে। বর্তমানে তিনি দিল্লিতেই বসবাস করছেন।

এমএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত