ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ অাপডেট : ১ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০১৮, ১৬:০১

প্রিন্ট

কুস্তিতে ইরাকের নারীরা

কুস্তিতে ইরাকের নারীরা
জার্নাল ডেস্ক

মুসলিম অধ্যুষিত বেশির ভাগ দেশেই কুস্তি খেলায় নারীদের অংশগ্রহণ এখনো কল্পনাতীত। তবে এ ক্ষেত্রে ইতিহাস গড়ছেন যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাকের নারীরা।

যেভাবে শুরু মেয়েদের স্কুলের শিক্ষিকা নেহায়া দাহেরের উদ্যোগে, ইরাকের দিওয়ানিয়া শহরে শুরু হয়েছিলো নারীদের কুস্তি প্রশিক্ষণ। প্রথমদিকে সমাজের নানা অংশ থেকে বিরোধিতা থাকলেও, আগ্রহীরা নারীদের পেতে কোনো অসুবিধা হয়নি তার।

বর্তমান অবস্থা ১৫ থেকে ৩০ বছর বয়সি প্রায় ২০ জন নারীকে নিয়ে গড়ে উঠেছে কুস্তি দলটি। সবাই বোরখা-হিজাব পরে কুস্তি শিখতে এলেও, খেলার সময় শর্টস, টাইটস বা টি-শার্টই পরেন তারা।

আলোচিত কুস্তিগীর আলিয়া দিওয়ানিয়া শহরেরন নামকরা কুস্তিগীর আলিয়া হুসেন। তিনি ইতোমধ্যে বৈরুতে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে রৌপ্য পদক জিতেছেন। তার ইচ্ছা, স্কুল শেষ করার পর বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে পড়াশোনা করবেন।

সমাজ কী বলে? ইরাক একটি মুসলিমপ্রধান দেশ হওয়ায় নারীদের কুস্তির প্রতি স্বাভাবিকভাবেই একটা চাপা বিরোধিতা ছিলো। কিন্তু উদ্যোক্তাদের ধারাবাহিকতা ও ধৈর্যের কারণে নারীদের বাড়ির লোকদের তারা বোঝাতে পেরেছেন। ফলে সমাজের চোখরাঙানি এড়ানো অনেকটাই সহজ হয়। বর্তমানে দিওয়ানিয়া শহরে নারী কুস্তিগীরদের ভক্তসংখ্যাও দিনদিন বাড়ছে।

নারীদের পাশে পুরুষ সব পুরুষ যে মেয়েদের কুস্তিচর্চার বিরোধিতা করেননি তার প্রমাণ হামিদ আল-হামদানি। তিনি বর্তমানে মেয়েদের কুস্তি দলের প্রধান কোচ। বিদেশে বিভিন্ন টুর্নামেন্টে খেলতে গিয়ে অন্য দেশের মেয়েদের কুস্তি করতে দেখে হামিদ ইরাকেও এমন কিছু করতে উৎসাহী হন।

সূত্র: ডয়েচে ভেলে

ডিপি/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত