ঢাকা, সোমবার, ১৬ জুলাই ২০১৮, ১ শ্রাবণ ১৪২৫ অাপডেট : ৭ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০১৮, ১৭:০১

প্রিন্ট

পরিবেশবান্ধব বিমানের কারিগর বাংলাদেশের দেবযানী

পরিবেশবান্ধব বিমানের কারিগর বাংলাদেশের দেবযানী
জার্নাল ডেস্ক

বিশ্বব্যাপী সর্বাধুনিক প্রযুক্তির বিমান নির্মাণের প্রতিযোগিতা চলছে।  যার অংশ হিসেবে গত কয়েকবছর ধরে জার্মানিতে এমন একটি বিমান তৈরির চেষ্টা চলছে, যা প্রথাগত জ্বালানি ছাড়া উড়তে সক্ষম বা পরিবেশবান্ধব। ইলেক্ট্রিক এই বিমান তৈরির পেছনে বিশ্বের খ্যাতিমান গবেষকদের সঙ্গে রয়েছেন বাংলাদেশের তরুণী দেবযানী ঘোষ। যিনি জার্মানির উল্ম বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গবেষক।

হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ব্যাটারি সিস্টেম থেকে পাওয়া শক্তিতে চলবে হাইফোর বা এইচওয়াইফোর নামে পরিচিত  বিমানটি। এভাবে উৎপাদিত জ্বালানি পরিবেশের কোনো ক্ষতি করবে না, অর্থাৎ বিমানটি চলার সময় কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ একেবারেই হবে না।

এমন বিমান পৃথিবীতে এটাই প্রথম। জার্মানির মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ডিএলআর-এর পৃষ্ঠপোষকতায় হাইফোর বিমান তৈরির প্রকল্পে সম্পৃক্ত রয়েছে উল্ম বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক প্রতিষ্ঠান। এই প্রকল্পের নেতৃত্বে রয়েছেন অধ্যাপক ইয়োসেফ ক্যালো। তাঁর অধীনে কাজ করছেন দেবযানীর মতো বেশ কয়েকজন তরুণ গবেষক। ইতোমধ্যে সাড়া জাগিয়েছে তাঁদের এই গবেষণা।

এমন প্রকল্পে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে দেবযানী বলেন, শুরু থেকে আমার ইচ্ছা ছিলো নবায়নযোগ্য শক্তি নিয়ে কাজ করা। আমার মার্স্টাস শেষ করার পর পরিবেশবান্ধব বিমানের প্রজেক্টটি সর্ম্পকে জানতে পারি। যেটা হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ব্যাটারি সিস্টেম দিয়ে চলবে। তার পরপরই এখানে গবেষক হিসেবে যুক্ত হই।

ইতোমধ্যে সফলভাবে পরীক্ষামূলক উড়াল সম্পন্ন করেছে চার সিটের হাইফোর বিমান। চলছে আরো বড় বিমান তৈরির কাজ।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন মনে করে, বর্তমানের যে পাঁচটি উদ্ভাবন ভবিষ্যতে বিশ্বকে রক্ষা করবে, তার একটি এই বিমান। গবেষকদেরও আশা, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে স্বল্প দূরত্বে যাত্রী পরিবহনে পরিবেশবান্ধব এই বিমান ব্যবহার সম্ভব হবে। 

সূত্র: ডয়চে ভেলে

ডিপি/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত