ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ২০১৮, ২ ভাদ্র ১৪২৫ অাপডেট : ১৫ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০১৮, ১০:০৯

প্রিন্ট

শুভ হোক বিশ্ব 'বন্ধু দিবস'

শুভ হোক বিশ্ব 'বন্ধু দিবস'
জার্নাল ডেস্ক

একটাই কথা আছে বাংলাতে, মুখ আর বুক বলে এক সাথে, সে হলো বন্ধু, বন্ধু আমার। বন্ধু আমার। দেখা হবে বন্ধু, কারণে আর অকারণে দেখা হবে বন্ধু, চাপা কোনো অভিমানে, দেখা হবে বন্ধু, সাময়িক বৈরীতায়, অস্থির অপারগতায়। তুমি আমার পাশে বন্ধু হে বসিয়া থাকো। একটু বসিয়া থাকো। আমি মেঘের দলে আছি, ঘাসের দলে আছি তুমিও থাকো বন্ধু হে একটু বসিয়া থাকো। এরকম অসংখ্য গান যাকে নিয়ে লেখা হয়েছে সে হলো বন্ধু।

আজ বিশ্ব বন্ধু দিবস। অন্যান্য দেশের মতো বড় কোনো অনুষ্ঠান না থাকলেও স্বল্প পরিসরে বাংলাদেশে পালিত হয় দিবসটি। তবে এক্ষেত্রে বয়স্কদের চেয়ে তরুণদের আগ্রহই বেশি। এ দিনটিতে এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে নানা রকম উপহার প্রদান করতে দেখা যায়। বিশেষ করে ফুল উপহার দেয়া হয় সবচেয়ে বেশি। অনেকে আবার মোবাইলে সুন্দর এসএমএস এর মাধ্যমেও শুভেচ্ছা জানায়।

আসলে মানুষ একা বাস করতে পারে না। সমাজে বাস করতে হলে, প্রতিদিন কারো না কারো মুখাপেক্ষী হতে হয়। কাউকে আপন করতে হয়। তবে বন্ধুত্ব এমন একটি বন্ধন, এতে থাকে স্বার্থহীন ভালোবাসা। পৃথিবীর অনেক সম্পর্কের মধ্যে এটি অন্যতম। তবে বন্ধুকে হতে হয় অনেক বিশ্বাসী, দায়িত্ববান। যার উপর ভরসা করা যায় নিশ্চিন্তে।

বন্ধুত্বের আসলে কোনো বয়স নেই। তা যখন তখন, যেখানে সেখানেই হতে পারে। মা-বাবা যেমন হতে পারে ভাল বন্ধু, তেমনি পারে স্বামী-স্ত্রীও। আবার স্কুল-কলেজ, চাকরির ক্ষেত্রে সবখানেই বন্ধুত্ব হতে পারে।

এদিকে, বর্তমান সময়ে পুরো পৃথিবীটাই একটি সমাজে পরিণত হয়েছে। প্রযুক্তির কল্যাণে গোটা বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। আর তাই বন্ধুত্ব ছড়িয়ে পড়েছে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশে। এখন ঘরে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে কোনো দেশের মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করা যায় অনায়াসে।

বন্ধু দিবস যে ভাবে : বন্ধু দিবসটি হলমার্ক কার্ডের প্রতিষ্ঠাতা ‘জয়েস হল’ দ্বারা উন্নীত হয়েছিল ১৯১৯ সালে। আগস্টের প্রথম রোববার বন্ধুত্ব দিবস এবং এই দিন সবাই একে অন্যেকে কার্ড পাঠাত। ১৯৩৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বন্ধু দিবসের ইতিহাস শুরু।

জানা গেছে, ওই সময় যুক্তরাষ্ট্র সরকার এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। দিনটি ছিল আগষ্টের প্রথম শনিবার। কিন্তু হত্যার প্রতিবাদে পরের দিন ওই ব্যক্তির এক বন্ধু আত্বহত্যা করেন। আর সে সময় বিষয়টি ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।

এরপর থেকে জীবনের নানা ক্ষেত্রে বন্ধুত্বের অবদান আর তাদের প্রতি সম্মান জানানোর লক্ষ্যেই আমেরিকান কংগ্রেস ১৯৩৫ সালে আইন করে আগস্ট মাসের প্রথম রোববারকে আন্তর্জাতিক বন্ধু দিবস ঘোষণা করে। সেই থেকে আগষ্ট মাসের প্রথম রোববার বন্ধু দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

আর তাই সব শেষে বলা যায় সৃষ্টির শুরুতে বন্ধুত্ব ছিল, এখনও আছে, থাকবে অনন্তকাল।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত