ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২০, ২৩ আষাঢ় ১৪২৭ আপডেট : ৫ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০২০, ২০:৪৯

প্রিন্ট

ট্রেনে ডাকাতির দায়ে চারজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড

ট্রেনে ডাকাতির দায়ে চারজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড
প্রতীকী ছবি
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী আন্তঃনগর এগারোসিন্দুর এক্সপ্রেসের (প্রভাতী) যাত্রীকে প্রকাশ্য ছুরিকাঘাতে আহত করে টাকা লুটের মামলায় চারজনকে ১০ বছর করে কারদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম জণাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। এ মামলার অপর ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালস দেয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, ভৈরবের আমলাপাড়া গ্রামের মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে সোহেল ওরফে টেপ্পা (২০), উপজেলার জগন্নাথপুরের লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত গেন্দু মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আলী (৪২), একই উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামেরই মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল লতিফ (৪২) এবং গ্রামের হুমায়ুন কমান্ডারের ছেলে সোহাগ (৩১)।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত চার আসামির মধ্যে মোহাম্মদ আলী ও আব্দুল লতিফ আদালতে উপস্থিত ছিল। এছাড়া সোহেল ওরফে টেপ্পা ও সোহাগ নামের অন্য দু’জন পলাতক আছেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৮ জানুয়ারি এগারোসিন্দুর এক্সপ্রেস (প্রভাতী) ট্রেনটি ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন থেকে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এ সময় ট্রেনযাত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার আড়াইসিধা গ্রামের মৃত খোরশেদ মিয়ার ছেলে হেলাল মিয়াকে ছুরিকাঘাতে আহত করে তার সঙ্গে থাকা ৫০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় ডাকাত দল।

এ ঘটনায় হেলাল মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে ভৈরব জিআরপি থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে ২০১৯ সালের ১৬ মে মামলার তৃতীয় ও সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা জিআরপি থানার এসআই আবুল কাসেম আকন্দ তদন্ত শেষে ১২ জনকে চিহ্নিত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্য-শুনানি শেষে সোমবার কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালত এ রায় প্রদান করলেন।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত