ঢাকা, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২০, ২১ চৈত্র ১৪২৬ আপডেট : ৪০ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০২০, ২২:৪৭

প্রিন্ট

সাবেক প্রেমিকার সাথে বিয়ে ঠিক হওয়ায় বন্ধুকে খুন

সাবেক প্রেমিকার সাথে বিয়ে ঠিক হওয়ায় বন্ধুকে খুন

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে সাবেক প্রেমিকার সাথে বিয়ে ঠিক হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে বন্ধুকে খুন করে মোহাম্মদ আলী রুবেল নামে এক যুবক। আর পাওনা টাকা না দেয়ায় হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় আরও দুই বন্ধু।

শুক্রবার সন্ধ্যায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) পারভেজ আলম চৌধুরী নবীগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলো- সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার ইছগাঁও গ্রামের ধনাই মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আলী রুবেল (২৬), নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের উজিরপুর গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে রিপন মিয়া (৩০) ও মৌলভীবাজার জেলা সদরের ঘোড়াখাল গ্রামের জমশেদ মিয়ার ছেলে রনি (২৩)।

এ ঘটনায় পুলিশ তিন ঘাতককে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। হবিগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি হত্যাকাণ্ডের মুল হোতা মোহাম্মদ আলী রুবেল।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) পারভেজ আলম চৌধুরী জানান, রিপন মিয়ার ফুফাতো বোনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে মোহাম্মদ আলী রুবেলের। সম্প্রতি রিপনদের বাড়িতে বেড়াতে আসার সুবাদে নবীগঞ্জ উপজেলার পাহারপুর গ্রামের মো. রফিক মিয়ার ছেলে জায়েদ হোসেনের (২২) সাথে পরিচয় হয় ওই তরুণীর। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ৬ মার্চ পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের দিন ধার্য করা হয়। এই খবর শুনে সাবেক প্রেমিক মোহাম্মদ আলী রুবেল ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন।

এদিকে, রিপন ও রনির সাথে পাওনা টাকা নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিলো জায়েদের। বিষয়টি জানার পর মোহাম্মদ আলী রুবেল খোঁজ নিয়ে রিপন ও রনির সাথে যোগাযোগ করে ৩ জন মিলে জায়েদ হোসেনকে হত্যার পরিকল্পনা করে। গত ৪ মার্চ রাতে শেরপুর বাজার থেকে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি যাওয়ার পথে পারকুল পাওয়ার প্লান্টের কাছে গতিরোধ করে রনি, রিপন ও রুবেল। এ সময় তারা তাকে খুন করে লাশ রাস্তার পাশেই ফেলে চলে যায়। পরদিন নবীগঞ্জ থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করে।

এ ঘটনায় নিহতের মা মোছা. মনোয়ারা বেগম বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে মাঠে নামে। পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে তিন আসামিকে ধরলে হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন হয়।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত