ঢাকা, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২০, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ আপডেট : ৪ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২৬ মার্চ ২০২০, ১৭:১২

প্রিন্ট

দোহার-নবাবগঞ্জ ফাঁকা, চলছে টহল

দোহার-নবাবগঞ্জ ফাঁকা, চলছে টহল

Evaly

নবাবগঞ্জ-দোহার প্রতিনিধি

ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় বৃহস্পতিবার গ্রাম্য সড়ক ও উপজেলা সদরে মানুষজন দেখা যায়নি। ভোর থেকে ছিল না সড়কগুলোতে জনকোলাহল। মুক্ত সড়কে চলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল। অন্য দিনগুলোর চাইতে তাই ব্যতিক্রমই বলতে হবে এই দিনটিকে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। সংবাদকর্মী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গুটিকয়েক দোকানি ও স্বল্প আয়ের হাতেগোনা কিছু মানুষ ছাড়া কেউ বাইরে আসছেন না। হাট বাজারগুলোতে কমে গেছে বেচাকেনা। অধিকাংশ সড়ক ফাঁকা, নেই যানবাহন।

সকাল থেকে মাঠে কাজ করছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা। উপজেলার সড়ক, অলি-গলিতে টহল দেওয়া ছাড়াও সিভিল প্রশাসনের কাজে সহায়তা করছেন তারা। এছাড়া হোম কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা পর্যালোচনাসহ প্রশাসনকে সহায়তা করছে সেনাবাহিনী।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে অধিকাংশ দোকানপাটের মালিকগণকে। শুধু খোলা রাখা হচ্ছে কয়েকটি ওষুধ এবং মুদির দোকান। বিভিন্ন এলাকায় মসজিদ থেকে আজানের আগে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে জনগণকে সচেতনতার বার্তা দিতে আহ্বান জানানো হচ্ছে। বন্ধ রাখা হয়েছে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানও।

জানা গেছে, কোনো জায়গায় অধিক লোক যাতে জড়ো হতে না পারে এবং জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া লোকজন যাতে নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে চলাফেরা করে- সেটা নিশ্চিত করছে সেনাবাহিনী।

এদিকে গণপরিবহন না নবাবগঞ্জ ও দোহারে বিরাজ করছে নীরবতা। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বিভিন্ন জীবাণুনাশক স্প্রে করছেন বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরা।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ কাজ করেছে রাত দিন। এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ওসি মোস্তফা কামাল বলেন, জনগণ যাতে ঘরে থাকে, ১ এর অধিক লোক সমাগোম না হয়, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।

নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালাউদ্দীন মনজু বলেন, আপনারা জানেন সরকার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া যাতে কেউ বাহিরে না আসে, সেজন্য উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত