ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ৭ কার্তিক ১৪২৭ আপডেট : ৩৯ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২০, ১৮:৪৯

প্রিন্ট

চাঁদা না দেয়ায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার ঠিকাদার

চাঁদা না দেয়ায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার ঠিকাদার
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরে মো. ইসমাইল হোসেন নামে প্রথম শ্রেণির এক ঠিকাদার এর নিকট থেকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। দাবিকৃত চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় সন্ত্রাসীরা উক্ত ঠিকাদারকে প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে হামলা করেছে বলেও জানা গেছে।

এ ঘটনায় রোববার দুপুরে অভিযুক্ত ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৮/১০ জনকে আসামি করে লক্ষ্মীপুর সদর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে মামলা করেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার।

মামলার আসামিরা হলেন, জেলার সদর উপজেলার পৗর এলাকার ৬নং ওয়ার্ডের বাঞ্চানগর গ্রামের মৃত হেলাল উদ্দিনের পুত্র মোস্তফা মাহাতাব উদ্দিন সুমন, স্ত্রী উম্মে কুলছুম জেবুন্নেছো, মেয়ে লামিয়া আক্তার, মৃত সফিক উদ্দিনের পুত্র মো. শরিফ উদ্দিন ডিউ ও মহিউদ্দিন সুজন।

বাদির আইনজীবী এড. মো. জহির হোসেন জানান, বিজ্ঞ আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে গোয়েন্দা পুলিশের ওসিকে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

এজাহার ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মামলার আসামি মোস্তফা মাহাতাব উদ্দিন সুমন কয়েকদিন পূর্বে ঠিকাদার মো. ইসমাইল হোসেনের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এতে অপারগতা প্রকাশ করায় গত ৭ অক্টোবর রাত সোয়া ৯টার দিকে পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসীরা দলবলে ইসমাইল হোসেনের বাসভবনের নীচে অফিস কক্ষে গিয়ে হানা দেয়।

এ সময় তাকে মারধর করে তারা। পুরো ঘটনাটি অফিস কক্ষে থাকা সিসি ক্যামেরার মধ্যে রেকর্ড হয়। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা ঠিকাদারকে হত্যাসহ বিভিন্ন হুমকি দিয়ে চলে যায়।

মামলার বাদি ঠিকাদার মো. ইসমাইল হোসেন একই এলাকার মৃত জালাল আহাম্মদ পাঠানের পুত্র। তিনি জেলা শ্রমিকলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দুর্নীতি বিরোধী সোসাইটির লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়াও তিনি মসজিদ মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করছেন।

রোববার দুপুরে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‌‘হামলাকারীরা সন্ত্রাসী প্রকৃতির এবং মাদক ব্যবসার সাথেও তাদের সম্পৃক্তরা রয়েছে। ঠিকাদারি করে আমার আর্থিক অবস্থা ভালো হওয়ায় আমার অর্থের দিকে লোভ পড়েছে সন্ত্রাসীদের গ্রুপলিডার মোস্তফা মাহাতাবের। চাঁদার টাকা না দেয়ায় সে তার দলবল নিয়ে আমার উপর হামলা করেছে। আমাকে প্রাণনাশের চেষ্টা করেছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় আমি আইনের আশ্রয় চেয়ে প্রতিকার চেয়েছি।’

মামলার তদন্তকাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিবি পুলিশের ওসি জানান, এখনো আদালতের নির্দেশনা হাতে পৌঁছেনি। নির্দেশনামা পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত