ঢাকা, শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ আপডেট : ৩১ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২০, ১৬:৫০

প্রিন্ট

তৃতীয় শ্রেণি পাস শ্বশুরের নেতৃত্বে এসএসসি পাস জামাইয়ের ক্লিনিক

শ্বশুরের নেতৃত্বে এসএসসি পাস জামাইয়ের ক্লিনিক
নিজস্ব প্রতিবেদক

তৃতীয় শ্রেণি পাস শ্বশুরের নেতৃত্বে এএসসি পাশ মেয়ে জামাইয়ের এক ডেন্টাল ক্লিনিকের সন্ধান পেয়েছে র‌্যাব। সোমবার দুপুরে রাজধানীর খিলগাঁও তিলপাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

শ্বশুর নূর হোসেনকে ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও জামাই জাহিদুল ইসলামকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু বলেন, তিলপাপাড়া ৭ নম্বর সড়কে একটি বাসার নিচতলায় এই ক্লিনিক খুলে ছিলেন নুর ও জাহিদ। তারা সম্পর্কে শ্বশুর-জামাই। এখানে এর আগে ডা. জিহান কবির নামে একজন দন্ত চিকিৎসক ছিলেন। তিনি করোনায় চেম্বার ছেড়ে দেয়ার পর চেম্বার খুলেন নুর। সহযোগী হিসেবে ছিল তার মেয়ের জামাই। ডা. জিহানের প্যাড ব্যবহার করলেও ক্লিনিকের বাইরে থাকা সাইনবোর্ডের নাম পরিবর্তন করেছিল। প্যাডে লিখা ‘পঞ্চগড় ডেন্টাল ক্লিনিক’। আর বাইরে সাইনবোর্ডে লিখা ‘হাসাঈনী ডেন্টাল’।

অভিযান শেষে পলাশ বসু বলেন, দাঁত অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। তাদের ন্যূনতম যোগ্যতা না থাকার পরও সাধারণ লোকজনকে চিকিৎসা দেয়ার নামে প্রতারণা করে আসছিল। এখনো রোগীদের এক্সরে করানোর জন্য অন্য একটা প্রতিষ্ঠানে পাঠাতো নুর হোসেন। ওই প্রতিষ্ঠানেরও মালিক নুর।

নুর হোসেন এর আগে একটি ক্লিনিকে সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। আর তার মেয়ের স্বামী পাথরের ব্যবসার হিসেব রক্ষক হিসেবে কাজ করতেন। নূর হোসেন বলেন, জরুরি রোগী আসলে চিকিৎসা দিতাম। ব্যথার ওষুধ দিতাম।

কিন্তু র‌্যাব অভিযান চালানোর আগে দেখা গেছে, একজন রোগীর রুট ক্যানেল করানোর কাজ শুরু করতে যাচ্ছিলেন নুর হোসেন। এভাবে দাঁতের সমস্যা নিয়ে আসলে সব চিকিৎসাই তিনি দিতেন। ভুক্তভোগী সোহাগ মিয়া জানান, তার এখানে চিকিৎসা করানোর পর সাময়িক ব্যথা কমেছিল। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত