ঢাকা, রোববার, ২৪ জানুয়ারি ২০২১, ১০ মাঘ ১৪২৭ আপডেট : ১৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬:৩৪

প্রিন্ট

করোনা রোধে ৩ ক্ষেত্রে গুরুত্বের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

করোনা রোধে ৩ ক্ষেত্রে গুরুত্বের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহামারি করোনা মোকাবেলায় মানসম্পন্ন ভ্যাকসিনের সার্বজনীন ও ন্যায়সঙ্গত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি এটি স্থানীয়ভাবে উৎপাদনে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং মহামারী পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদানসহ তিনটি অগ্রাধিকার ক্ষেত্রে জরুরি মনোযোগ এবং আরো বৈশ্বিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তায় জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার করোনা প্রেক্ষাপটে ইউএনজিএর ৩১তম বিশেষ অধিবেশনে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবুও কিছু অগ্রাধিকার ক্ষেত্রে জরুরি মনোযোগ এবং আরো সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রথমত, আমাদের যথাসময়ে ন্যায্যতার ভিত্তিতে ও সাশ্রয়ী মূল্যে সবার জন্য মানসম্মত ভ্যাকসিন প্রাপ্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালের উন্নয়ন এজেন্ডা সমতার নীতি দ্বারা পরিচালিত এসডিজি অর্জনে সার্বজনীন স্বাস্থ্য কভারেজের মৌলিক ভূমিকার স্বীকৃতি দেয়। একইভাবে যখন ভ্যাকসিন প্রাপ্তির কথা আসে, তখন কাউকে পেছনে রাখা সমীচীন হবে না। এটি মহামারী পরাস্ত করতে, জীবন বাঁচাতে এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ত্বরান্বিত করতে আমাদের সহায়তা করবে।

দ্বিতীয়ত, কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনকে গোটা বিশ্বের জন্য একটি ‘বৈশ্বিক জনপণ্য বিবেচনা করতে হবে উল্লেখ করে ডব্লিবউএইচও’র অ্যাক্ট এবং কোভাক্স সুবিধার উদ্যোগ এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলোর ট্রিপস চুক্তির আওতায় আইপি রাইটস ওয়েভার ব্যবহার করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে স্থানীয়ভাবে ভ্যাকসিন উৎপাদনের জন্য প্রযুক্তি হস্তান্তর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে। বাংলাদেশের সক্ষমতা রয়েছে এবং সুযোগ পেলে ভ্যাকসিন তৈরি করতে প্রস্তুত রয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, তৃতীয়ত, কোভিড-১৯-এর পরিপ্রেক্ষিতে আর্থিক সহায়তাসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলোকে বিশেষভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে। জাতীয় সরকারগুলোর পাশাপাশি জাতিসংঘ, আইএফআই, সুশীল সমাজকে তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং কোভিড-১৯ মোকাবেলায় পরস্পরকে সহযোগিতা করতে হবে।

জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন-ন্যাম এর বর্তমান চেয়ার আজারবাইজান এবং জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল ৩ ডিসেম্বর থেকে ২ দিনের এ বিশেষ অধিবেশন ডেকেছেন।

সারা বিশ্ব বৈশ্বিক করোনা প্রভাব মোকাবেলায় এক কঠিন সময় পার করছে জানিয়ে এই সময়ে এ অধিবেশন সর্বোচ্চ গুরুত্ব বহন করে বলেও উল্লেখ করেন বাংলাদেশের সরকার প্রধান।

এই অধিবেশন মহামারী মোকাবেলায় যৌথ পদক্ষেপ, বৈশ্বিক সংহতি এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করবে বলে আশা প্রকাশ করে তিনি আশ্বাস দেন, বাংলাদেশ এই বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় সবার সাথে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে।

আরও পড়ুন- সরকারই আলেমদের মাঠে নামিয়েছে

বাংলাদেশ জার্নাল/আর

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত