ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারি ২০২১, ৭ মাঘ ১৪২৭ আপডেট : ১ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০২১, ১৯:৫০

প্রিন্ট

ওয়াসা এমডির কাজে ফের আদালতের উষ্মা

ওয়াসা এমডির কাজে ফের আদালতের উষ্মা
ফাইল ছবি।

জার্নাল ডেস্ক

বুড়িগঙ্গা দূষণ রোধে আদালতের রায় ও আদেশ বাস্তবায়ন না করায় ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খানের ভূমিকা নিয়ে ফের উষ্মা প্রকাশ করেছে হাই কোর্ট।

বুধবার বুড়িগঙ্গার দূষণ রোধ সংক্রান্ত চলমান (কন্টিনিউয়াস মেন্ডামাস) একটি মামলায় রায় বাস্তবায়নের প্রতিবেদনে শুনানির পর বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ’র ভার্চুয়াল হাই কোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালত বলেছে, রায় বাস্তবায়নে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদক্ষেপ খুবই ধীরগতিসম্পন্ন। এভাবে চলতে থাকলে বুড়িগঙ্গার দূষণ কোনোদিন বন্ধ হবে না, বরং রায় অকার্যকর হয়ে যাবে। তাই আগামী ২১ জানুয়ারির মধ্যে তাকসিম খানকে রায় বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ-পরিকল্পনা হলফনামা করে দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। ঢাকা ওয়াসার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী উম্মে সালমা। ওয়াসার আইনজীবী গত ১১ জানুয়ারি দাখিল করা রায় বাস্তবায়নের প্রতিবেদন তুলে ধরেন।

এ প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ টেনে শুনানিতে মনজিল মোরসেদ বলেন, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রায়ে থাকলেও বুড়িগঙ্গার পানি দূষণের জন্য দায়ী শিল্পকারখানা বর্জ্য ও গৃহস্থালি বর্জ্য নদীতে নিঃসরণ বন্ধে ওয়াসার এমডি কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তিনি যে হলফনামা দাখিল করেছেন, তার সাথে আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নের সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই। রায় বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকলে কোনোদিন বুড়িগঙ্গার দূষণ বন্ধ হবে না।

শুনানির এক পর্যায়ে বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারক গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালককে নিয়ে বলেন, উনি তো আবারও রি-অ্যাপয়েন্টেড হলেন। নিশ্চয়ই উনি সরকারের কাছে খুব যোগ্যতাসম্পন্ন লোক। নইলে তো রি-অ্যাপয়েন্টেড হওয়ার কথা না। কিন্তু সরকারের কাছে যোগ্যতাসম্পন্ন হলেও রায় বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে উনার যোগ্যতা দেখতে পাচ্ছি না। এটা কেন? রায় বাস্তবায়নে ওয়াসার এমডির পদক্ষেপ অত্যন্ত স্লো। এভাবে চলতে থাকলে বুড়িগঙ্গার দূষণ কোনোদিন বন্ধ হবে না বরং রায় অকার্যকর হয়ে যাবে।

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত