ঢাকা, রোববার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৭ আপডেট : ১৮ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০২১, ১৯:৫৮

প্রিন্ট

গুণগত মানসম্পন্ন শিম উৎপাদন শীর্ষক মাঠ দিবস

গুণগত মানসম্পন্ন শিম উৎপাদন শীর্ষক মাঠ দিবস
ছবি: প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

সমন্বিত বালাইনাশক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গুণগতমান সম্পন্ন ও নিরাপদ শিম উৎপাদন শীর্ষক এক মাঠ দিবস শনিবার ময়মনসিংহের সদর উপজেলার চর আনন্দীপুর গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারি গাজীপুরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন উইং) ড. মো. কামরুল হাসান।

ময়মনসিংহের সরেজমিন গবেষণা বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র বারি গাজিপুরের প্রাক্তন পরিচালক ড. মো. শাহাব উদ্দিন আহম্মেদ, ডাল গবেষণা কেন্দ্রের প্রাক্তন পরিচালক ড. তপন কুমার দে, ময়মনসিংহের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. আজিজুল হক প্রমুখ।

উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র, বারি, গাজিপুরের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. নাজিম উদ্দিন প্রমুখ। উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র, বারি, গাজিপুরের ড. মো. শাহাদত হোসেন মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন।আরো উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের কো-ইনভেস্টিগেটর ড. নার্গিস আক্তার।

বক্তারা বলেন, শিম বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় প্রোটিন সমৃদ্ধ সবজি কিন্তু পোকামাকড় রোগ বালায়ের আক্রমণে প্রায় ২০-৪১% ফলন কমে যায়। ফেরোমন ফাঁদ, হলুদ আঠারো ফাঁদ, হাত বাছাই, বোটানিকেলস/জীবাণুর সমন্বয়ে জৈব বালাই নাশক ভিত্তিক আইপিএম প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন। যার মাধ্যমে সাফল্যজনক ভাবে পোকা মাকড় ও রোগবালাই দমন করা যায়।

আক্রমণ প্রায় ৮০% রোধ করা যায়- যা ফলন অনেক বাড়িয়ে দেয়, তাই কৃষকের আয় বেশি হয়। অনুষ্ঠানে বিজ্ঞানীরা উপস্থিত কৃষকদের সরেজমিন গবেষণা ফলাফল দেখিয়ে আইপিএম পদ্ধতিতে শিম চাষে উৎসাহিত করার জন্য এর উপকারী দিকগুলো তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত