ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১, ২৪ ফাল্গুন ১৪২৭ আপডেট : ৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২১, ১৮:০১

প্রিন্ট

শ্রমিকদের বিক্ষোভ, চলবে না লঞ্চ

শ্রমিকদের বিক্ষোভ, চলবে না লঞ্চ
ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

লঞ্চ দুর্ঘটনার এক মামলায় আদালত দুই মাস্টারের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়ায় ঢাকা সদরঘাটের পন্টুন থেকে লঞ্চ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ এর যুগ্ম-পরিচালক জয়নাল আবেদীন জানিয়েছেন, দুই মাস্টার সোমবার জামিনের মেয়াদ বাড়াতে মেরিন কোর্টে গিয়েছিলেন। সেখানে তাদের জামিন না হওয়ায় শ্রমিকরা দুপুরে পন্টুন থেকে লঞ্চ সরিয়ে নেয়। আপাতত দূরপাল্লার কোনো লঞ্চ ছেড়ে যাবে না।

গত বছর চাঁদপুরের হরিনাঘাটে অ্যাডভেঞ্চার-১ ও অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। কেউ মারা না গেলেও লঞ্চ দুটি ওই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ নিয়ে মেরিন আদালতে যে মামলা হয়েছিল, তাতে দুই লঞ্চের মাস্টার রুহুল আমিন ও আলমাস জামিনে ছিলেন। সোমবার তারা সেই মামলায় হাজিরা দিতে গেলে আদালত জামিন বাতিল করে তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেয়।

এর প্রতিবাদেই নৌ শ্রমিকরা কর্মবিরতিতে গেছে জানিয়ে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী বলেন, কোথায় দুর্ঘটনায় ঘটেছে, তার হদিস নেই, চার মাস এই দুজনের সার্টিফিকেট ‘হোল্ড’ করে রাখা হয়েছিল। জামিন না দেওয়ায় কোনো কারণ ছিল না। শ্রমিকরা প্রতিবাদ জানাতে ঘাট থেকে লঞ্চ সরিয়ে নিয়েছে।

নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন বরিশাল জেলা সভাপতি শেখ আবুল হাসেম জানান, মেরিন আদালতে দুই মাস্টারের জামিন বাতিল করার পরই শ্রমিকরা সংক্ষুব্ধ হয়। কারান্তরীণ দুই নৌযান মাস্টারের মুক্তির দাবিতে তাৎক্ষণিক ধর্মঘট শুরু করেন নৌযান শ্রমিকরা।

একই রুটের এমভি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাস্টার কবির হোসেন জানান, ওই দুই নৌযান মাস্টারকে মুক্তি না দেয়া পর্যন্ত তাদের কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।

কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আকস্মিক দূরপাল্লা রুটের যাত্রীবাহী নৌযানে ধর্মঘট শুরু হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী। তারা অনতিবিলম্বে নৌযান ধর্মঘট নিরসনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত, সদরঘাট থেকে বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, হাতিয়াসহ ৪৩ রুটে প্রতিদিন ৭০টি বেশি লঞ্চ সদরঘাট থেকে ছেড়ে যায়।

বাংলাদেশ জার্নাল/এইচকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত