ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ৩০ বৈশাখ ১৪২৮ আপডেট : ২ মিনিট আগে

প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২১, ১৭:২৬

প্রিন্ট

সবুজের মাঝে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন

সবুজের মাঝে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন
ছবি- প্রতিনিধি

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাট জেলায় এবার ব্যাপক পরিমাণ জমিতে ধানের চাষ হয়েছে। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন শুধু ধান গাছের সমারোহ। বর্তমানে ধান গাছ থেকে বের হয়েছে শীষ। আর এই শীষ দেখে স্বপ্ন বুনছেন কৃষকরা।

গেল আমনে ফলন ভালো ও বাজারে দাম পাওয়ায় বেশ লাভবান হয়েছেন কৃষকরা। এবার ইরিতেও প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না হলে বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগ।

এদিকে করোনার সংক্রমণ বাড়ায় নতুন করে লকডাউনের কারণে গত বছরের মতো এবারও শ্রমিক সঙ্কটের আশঙ্কায় সময় মতো ধান কাটতে পারবেন কিনা এ নিয়ে শঙ্কা রয়েই গেছে কৃষকের মনে।

উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জয়পুরহাট জেলায় এবার ৬৯ হাজার ৪২৫ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধানের চাষ হয়েছে। মাঠে মাঠে সবুজের সমাহার। প্রতিটি ধানগাছে শীষ বেড়িয়েছে। কিছু কিছু জমিতে পাকতে শুরু করেছে ধান। দুই-এক এলাকায় আবার শুরু হয়েছে আগাম ধান কাটা। রোগ-বালাই কম থাকায় এবং সময় মতো সার, কীটনাশক ও সেচ সুবিধা পাওয়ায় ধানের গাছও হয়েছে ভালো।

বৈশাখের মাঝে হাড়ফাটানো রোদ। সেইসঙ্গে পূবালী বাতাসে দোল খাচ্ছে গাছগুলো। অনেক কৃষক পোকামাকড় দূরীকরণে ক্ষেতে কীটনাশক স্প্রে করছেন। ধানের ক্ষেতে যেন দুলছে কৃষকের স্বপ্ন। আগামী ১০/১২ দিনের মধ্যে শুরু হবে পুরোদমে ধান কাটা।

সদর উপজেলার কোমরগ্রাম এলাকার কৃষক সনজয় কুমার বলেন, এবার দুই বিঘা জমিতে ধান লাগিয়েছি। গতবার ধান বিক্রি করে বেশ লাভ হয়েছে। আশা করি এবারও ন্যায্য দাম পাবো।

তবে ধান কাটার সময় শ্রমিকের খুব সঙ্কট হয়। তাই ধান কাটার মজুরি কিছুটা বেশি খরচ হয়ে যায় বলে জানানেল কৃষক সনজয়।

পাঁচবিবি উপজেলার ধুরইল গ্রামের স্বপন বলেন, আমি ১০ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি। আর কয়েকদিনের মধ্যেই আমার জমির ধানগুলো কাটতে হবে। সরকারের কাছে দাবি, এবারও যেন ন্যায্যমূল্য পাই।

সদর উপজেলার ভাদসা গ্রামের এনামুল হক বলেন, অনেক স্বপ্ন নিয়ে এবার ধান চাষ করেছি। কিন্তু আমার জমিতে কারেন্ট পোকা লেগেছে। তাই ফলন হয়তো কিছুটা কম হবে।

এ বিষয়ে জয়পুরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, রোগ-বালাই নিধনসহ কৃষি বিভাগের মাঠকর্মীরা কৃষকদের সব ধরণের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে এবার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত