ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১৪ শ্রাবণ ১৪২৮ আপডেট : ২ মিনিট আগে

সাবেক এমপি রানার বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকার মানহানি মামলা

  টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১০ জুন ২০২১, ০৫:৫৯  
আপডেট :
 ১০ জুন ২০২১, ০৬:০৬

সাবেক এমপির বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকার মানহানি মামলা
আমানুর রহমান খান রানা। ফাইল ছবি

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানার বিরুদ্ধে বুধবার বিকেলে টাঙ্গাইলে পাঁচ কোটি টাকার মানহানির মামলা হয়েছে। টাঙ্গাইল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া বড় মনি এ মামলা করেন।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ বুরো অফ ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছে।

গোলাম কিবরিয়া বড় মনি টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের এমপি তানভীর হাসান ছোট মনিরের বড় ভাই। তিনি টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগেরও সহ-সভাপতি।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জানান, গত ৭ জুন আমানুর রহমান খান রানা টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেছেন, তার (রানার) বড় ভাই আমিনুর রহমান খান বাপ্পির হত্যাকারী গোলাম কিবরিয়া বড় মনি এবং তার ছোট ভাই তানভীর হাসান ছোট মনির। এছাড়া তারা দুই ভাই (গোলাম কিবরিয়া বড় মনি ও তানভীর হাসান ছোট মনির) জার্মানিতে অস্ত্রের ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকা আয় করেছেন বলেও উল্লেখ করেছেন। অথচ আমিনুর রহমান খান বাপ্পি হত্যার সাত বছর আগেই তারা দুই ভাই জার্মানিতে চলে যান। দেশে ফেরেন বাপ্পি হত্যার ঘটনার ৬-৭ বছর পর।

বাপ্পি হত্যাকাণ্ডের পর তার বাবা আতাউর রহমান খান বাদি হয়ে যে মামলা করেন, সেখানে গোলাম কিবরিয়া বড় মনি বা তানভীর হাসান ছোট মনির কারো নাম ছিল না। পরবর্তীতে পুলিশ তদন্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সেখানেও তাদের কারো নাম নেই। তাছাড়া তারা জার্মানিতে মোটরগাড়ি ক্রয়-বিক্রয় ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল। অথচ মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে গোলাম কিবরিয়া বড় মনি ও তার পরিবারের সদস্যদের হেয় প্রতিপন্ন হয়েছে। এতে তাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে ক্ষতি হয়েছে। এতে তার পাঁচ কোটি টাকার সম্মানহানি হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। প্রথমে মামলাটি টাঙ্গাইল থানা পুলিশ তদন্ত করলেও পরবর্তীতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে। সেই তদন্তে ফারুক হত্যা মামলায় রানা ও তার অপর তিন ভাইয়ের জড়িত থাকার প্রমাণ বেরিয়ে আসে। তখন তারা আত্মগোপনে চলে যান।

বাংলাদেশ জার্নাল/আর

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত