ঢাকা, শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ১১ আষাঢ় ১৪২৮ আপডেট : ৩১ মিনিট আগে

প্রকাশ : ১০ জুন ২০২১, ১৮:৪০

প্রিন্ট

বাজেটে অঞ্চলভিত্তিক কৃষি প্রণোদনার দাবি পবার

বাজেটে অঞ্চলভিত্তিক কৃষি প্রণোদনার দাবি পবার
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২১-২০২২ বাজেটে অঞ্চলভিত্তিক কৃষি প্রণোদনার ব্যবস্থা করাসহ কৃষকদের জন্য ১২ দফা দাবি জানিয়েছে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) ও বারসিক।

বৃহস্পতিবার বারসিক ও পবার উদ্যোগে জাতীয় বাজেট-২০২১-২০২২: কৃষকের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় সংগঠন দুটি এই দাবি জানান।

সভা থেকে পবা ও বারসিক ১২ দফা দাবি জানায়। দাবিগুলো হলো: কৃষিপণ্যে সংরক্ষণাগার‎ তৈরি করতে হবে, জাতীয় কৃষিমূল্য কমিশন গঠন করতে হবে, কৃষকের জন্য পেনশন স্কিম চালু করতে হবে, কৃষককে খাদ্যযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে, বাজেটে কৃষির ওপর বরাদ্দ আরো বাড়াতে হবে, নারীকে কৃষক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে, কৃষিজমিতে ইটভাটা বন্ধ করতে হবে, কৃষি ভর্তুকি সুষম বণ্টন করতে হবে, রাষ্ট্রীয়ভাবে কৃষক সংগঠন করতে হবে, অঞ্চলভিত্তিক কৃষিপ্রণোদনা দিতে হবে, হাওর অঞ্চলের জন্য কৃষিতে আলাদা বাজেট বরাদ্দ করতে হবে এবং বজ্রপাতে মারা যাওয়া কৃষককে ক্ষতিপূরণ দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

সভায় বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, টাকার অংকে বিবেচনা করলে এবারের বাজেটে কৃষিখাতে বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে মোট শতাংশ হিসেব করলে প্রকৃতপক্ষে এবারে কৃষিবাজেট বাড়েনি। পূর্ববতী বাজেটের বিষয়টি বিবেচনা করলে এবারের কৃষিতে বাজেট আরো বেশি গুরুত্ব পেতে পারতো। দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, প্রতিবছর যে ভর্তুকি দেয়া হয় সেটি খরচ হয় না। তাই সরকারকে ভাবতে হবে এই ভর্তুকি যাতে সঠিকভাবে ব্যবহার হয়। কৃষি উপকরণের জন্য ভর্তুকির কিছু রেখে বাকিটা যদি কৃষকের হাতে নগদভাবে বিতরণ করা হয় তাহলে কৃষকরা উপকৃত হবেন এবং ভালো মত ব্যবহার করতে পারবেন।

পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, কৃষি ও কৃষক দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন এবং অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে রেখেছে। এই করোনাকালেও কৃষকরা ঝুঁকি মোকাবিলা করে খাদ্য উৎপাদন করছেন। এজন্য দেশকে খাদ্য সঙ্কটে পড়তে হয়নি। সরকার ঘোষিত এই বাজেট কৃষি ও কৃষককে নানানভাবে প্রভাবিত করবে। কৃষকের লাভ ও লোকসান এই বাজেটের ওপর নির্ভরশীল। এই বাজেট আমাদের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যকে প্রভাবিত করবে। তাই বাজেটে সুনির্দিষ্টভাবেই কৃষি ও কৃষকের বিষয়টি বিবেচনায় আনতে হবে।

পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খানের সভাপতিত্বে এবং বারসিকর পরিচালক পাভেল পার্থের সঞ্চালনায় সভায় বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম, পবার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুস সোবহান, বানিপার সাধারণ সম্পাদক এম এ ওয়াহেদ, বারসিকর পরিচালক এবিএম তৌহিদুল আলম, সৈয়দ আলী বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ জার্নাল/কেএস/ওয়াইএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত