ঢাকা, সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২ আশ্বিন ১৪২৮ আপডেট : ৩ মিনিট আগে

চসিকের বাজেট ঘোষণা আজ

  চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৭ জুন ২০২১, ১১:৫৫  
আপডেট :
 ২৭ জুন ২০২১, ১২:০১

চসিকের বাজেট ঘোষণা আজ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

নগর উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) আগামী ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা করা হবে। আজ রোববার দুপুর ১২ টায় নগরের থিয়েটার ইনস্টিটিউট হলে বাজেট ঘোষণা করবেন সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী। সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর নেতৃত্বে চসিকের ৬ষ্ঠ নির্বাচিত পরিষদের প্রথম বাজেট এটি।

অতীতের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে সমন্বয় করার পাশাপাশি নগরবাসীর সর্বোচ্চ নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে এবারের বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে। গতবারের চেয়ে বাড়বে বাজেটের আকারও।

চসিকের হিসাব শাখা সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ছিল ২ হাজার ৪৩৬ কোটি ৩০ লাখ ৪২ হাজার টাকা। আজ বিশেষ সাধারণ সভায় এর সংশোধিত বাজেটও অনুমোদিত হবে।

গত ২৭ জানুয়ারি চসিকের ষষ্ঠ পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এতে ৩ লাখ ৬৯ হাজার ২৪৮ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন রেজাউল করিম চৌধুরী। ১১ ফেব্রুয়ারি শপথ নেন তিনি। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বগ্রহণ করেন ১৫ ফেব্রুয়ারি। দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বাজেট ঘোষণা করবেন তিনি। ফলে আজকের বাজেট নিয়ে কৌতুহল থাকবে নগরবাসীর। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে কতটা উদ্যোগী তা আজকের বাজেটে প্রতিফলন ঘটবে বলে মনে করেন নগরবাসী।

এরআগে গতবছরের ৪ আগস্ট উন্নয়ন অনুদান এবং কর আদায়কে অন্যতম খাত নির্ধারণ করে চসিকের পঞ্চম নির্বাচিত পরিষদের ২০২০-২১ অর্থ বছরের জন্য চসিকের দুই হাজার ৪৩৬ কোটি ৩০ লাখ ৪২ হাজার টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেছেন সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

ওই বাজেটে উন্নয়ন অনুদান খাতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬২৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার আয় দেখানো হয়। দ্ধিতীয় সর্বোচ্চ হিসেবে দেখানো হয়, বকেয়া কর ও অভিকর খাতে ১৯৯ কোটি ১৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। হালকর ও অভিকর খাতে আয় দেখানো হয় ১৪৯ কোটি ২৩ লাখ ২ হাজার টাকা। এছাড়া ফিস আদায় বাবদ ১২২ কোটি ১০ লাখ ৪০ হাজার, জরিমানা আদায় বাবদ ৫০ লাখ, সম্পদ হতে অর্জিত ভাড়া ও আয় বাবদ ৯৮ কোটি ৯০ লাখ, ব্যাংক স্থিতি থেকে আয় বাবদ ৫ কোটি ও ভর্তুকিসহ নিজস্ব উৎস থেকে আয় বাবদ ৫৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

অন্যদিকে, ২০২০-২১ অর্থ বছরের বাজেটে উন্নয়ন খাতে ৯৪৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা, বকেয়া দেনা বাবদ ৭৯০ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা নিয়েছিল চসিক। তবে চসিকের কর্মকর্তা কর্মচারিদের বেতন ভাতা ও পারিশ্রমিক প্রদান বাবদ ব্যয় বছরে ২৯০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এছাড়া মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ৫৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা, ভাড়া কর অভিকর বাবদ ৬ কোটি ৯৫ লাখ, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও পানি ব্যয় বাবদ ৪৬ কোটি ৫০ লাখ, কল্যাণমূলক ব্যয় ৩৮ কোটি ৯৫ লাখ, ডাক তার দূরালাপনী বাবদ ১ কোটি ৭১ লাখ, আতিথেয়তা ও উৎসব বাবদ ৬ কোটি ৫ লাখ, বিমা বাবদ ৫৫ লাখ, ভ্রমণ ও যাতায়াত ব্যয় বাবদ ১ কোটি ৭৫ লাখ, বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা ব্যয় বাবদ ৫ কোটি ৮৫ লাখসহ মুদ্রণ, মনিহারী, ফিসবৃত্তি ও পেশাগত ব্যয়, প্রশিক্ষণ, ভাণ্ডার ও বিবিধ খাতের ব্যয় মিলিয়ে মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ২৬৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। শুধুমাত্র বেতন, ভাতা, পারিশ্রমিকসহ চসিকের বার্ষিক পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে ব্যয় ধরেছিল ৫৫৭ কোটি ৩৮ লাখ।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমএম

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত