ঢাকা, সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২ আশ্বিন ১৪২৮ আপডেট : ৮ মিনিট আগে

কিশোর গ্যাংরা মধ্যস্থতাকারী দালাল হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২১, ২১:১১  
আপডেট :
 ২৯ জুন ২০২১, ১৩:২২

কিশোর গ্যাংরা মধ্যস্থতাকারী দালাল হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার আশুলিয়ার নাল্লাপাড়া এলাকায় মসজিদের খাদেম নজরুল ইসলামকে কুপিয়ে জখম করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা। এ ঘটনায় র‌্যাব-৪ দুজনকে গ্রেপ্তার করে। র‌্যাব বলছে, কিশোরদের মধ্যে ফিল বেশি কাজ করে, এতে তাদের সহজে মোটিভেট করা যায়। কিশোর বয়সেই তারা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে বলে তাদের কিশোর গ্যাং বলা হয়। তাদের অনেক সঙ্গী আছে। তারা কোনো না কোনোভাবে মাদকাসক্ত। তাই তাদের মাধ্যমে জমিদখল, মাদক ব্যবসা, কাউকে মারধর বা ভাড়াটিয়া মধ্যস্ততাকারী দালাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

সোমবার (২৮ জুন) রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে এসব কথা বলেন র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মোজাম্মেল হক। রোববার দিবাগত রাতে গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে দুটি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগাজিন, চাইনিজ কুড়াল, দুটি ফোল্ডিং চাকু, চাপাতি ও ৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মোজাম্মেল হক বলেন, আশুলিয়ার একটি মসজিদের খাদেম মো. নজরুল ইসলাম এক নারীর কাছ থেকে দুই লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিল। সেই টাকা দিতে দেরি হওয়ায় দুজনের মধ্যে বিরোধ হয়। এতে নজরুলকে ডেকে হুমকি-ধামকি দেয়া হয়। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি অভিযোগের পর আদালতে মামলা করেন নজরুল।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ওই মামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওই নারী আলিম নামে একজনকে দিয়ে মসজিদের খাদেম নজরুলকে শায়েস্তা করতে ঠিক করেন। পরবর্তীতে আলিম তার কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের দিয়ে নজরুলকে কুপিয়ে জখম করে। খাদেমকে কুপিয়ে জখমের পর তারা আত্মগোপনে চলে যায়। কক্সবাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় বেশ কয়েক দিন ধরে পালিয়েও বেরিয়েছিল। এলাকাবাসী দোষীদের গ্রেপ্তারে মানববন্ধন করে। সবশেষ গত রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ১০-১২ জনের কিশোর গ্যাং সাভার ও আশুলিয়া এলাকায় ইভটিজিং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, খুনসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী প্রধান অভিযুক্ত আলিমকে গ্রেপ্তারে র‌্যাব অভিযান চালায়।

র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক বলেন, কিশোর বয়স থেকেই তারা দুষ্টু ও দুরন্ত। এসব কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে আমরা কাজ করছি। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করে বিভিন্ন হাত ঘুরে কিশোর গ্যাংয়ের কাছে অস্ত্র যাচ্ছে। এসব অস্ত্র দিয়ে অপরাধের চেয়ে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন বেশি করা হয় বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

বাংলাদেশ জার্নাল- ওআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত