ঢাকা, সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২ আশ্বিন ১৪২৮ আপডেট : ১৬ মিনিট আগে

আগামী বছর থেকে নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানি দিতে হবে, মেয়র আতিক

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২১, ১৮:৫৭  
আপডেট :
 ২২ জুলাই ২০২১, ১৯:০৮

আগামী বছর থেকে নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানি দিতে হবে, মেয়র আতিক
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা উত্তর সিটি কপোরেশন (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, আগামী বছর কোরবানির জন্য পশু জবাই নিদিষ্ট স্থানে করতে হবে। এজন্য যা যা করা দরকার তাই করা হবে।

বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর গুলশানের নগর ভবনে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসরণ সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, এবার কোরবানির প্রথম দিনেই ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় তিন লক্ষাধিক পশু কোরবানি করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ২৭২টি নির্ধারিত স্থানে মাত্র ৪ হাজার ১শত ৪১টি পশু কোরবানি করা হয়েছে।

মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, নগরবাসীকে যত্রতত্র পশু কোরবানি করা থেকে বিরত রাখার জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং প্রয়োজনে সময়োপযোগী আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। এ বিষয়ে সমাজের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, স্থানীয় কাউন্সিলরসহ সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবার ১২ ঘন্টারও কম সময়ে রাত ১২ টার মধ্যেই ডিএনসিসির সমগ্র এলাকায় কোরবানির ১ম দিনের ১১ হাজার ৯ শত ৩৫ মেট্রিক টন বর্জ্যের শতভাগ অপসারণ করা হয়েছে।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে কোরবানির পশুর হাটের পাশেই স্লটারিং হাউজ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

আগামী দিনে স্লোটার হাউসে গরু কোরবানি দিতে হবে। এজন্য প্রতিটি এলাকায় স্লোটার হাউস করার চিন্তা করা হচ্ছে। কেউ নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া আগামী বছর পশু কোরবানি দিতে পারবেন না। এজন্য প্রয়োজন হলে আইন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ নিজের বাড়িতে পশু জবাই করলেও জরিমানা করা হবে। সে ব্যাপারেও আইন করা হবে।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ডিএনসিসির ১০টি অঞ্চলের ৫৪টি ওয়ার্ডে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের আওতায় এবছর কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কাজে সর্বমোট ১১ হাজার ৫ শত ৮ জন কর্মী নিয়োজিত রয়েছে।

তিনি বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে গুলশানের নগর ভবনে কন্ট্রোলরুম স্থাপন করা হয়, কন্ট্রোলরুমের নম্বরগুলো হলো- ০২৫৮৮১৪২২০, ০৯৬০২২২২৩৩৩ এবং ০৯৬০২২২২৩৩৪। এ ছাড়া 'সবার ঢাকা' মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেও দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হয়।

মেয়র বলেন, কোরবানি পশুর বর্জ্য দ্বারা যাতে নগরীর কোথাও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সৃষ্টি না হয় সেজন্য নগরবাসীর মাঝে যথাসময়ে ৬ লক্ষ ৫০ হাজার বর্জ্য ব্যাগ, পরীক্ষামূলকভাবে পরিবেশসম্মত ও পঁচনশীল আরও ২০ হাজার বায়ো ডিগ্রেডেবল ব্যাগ, ৫০ মেট্রিক টন ব্লিচিং পাউডার এবং ৫ লিটার আয়তনের ১ হাজার ৫ ক্যান স্যাভলন বিতরণ করা হয়।

ডিএনসিসি মেয়র সবার বাসযোগ্য সুস্থ, সচল ও আধুনিক ঢাকা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ জার্নাল/ওএফ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত