ঢাকা, শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৩ আশ্বিন ১৪২৮ আপডেট : ১৯ মিনিট আগে

মালচিং পদ্ধতিতে বর্ষাকালে সবজি চাষে সফলতা

  গোফরান পলাশ, পটুয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২১, ১৭:৫৪  
আপডেট :
 ২৬ জুলাই ২০২১, ১৮:১০

মালচিং পদ্ধতিতে বর্ষাকালে সবজি চাষে সফলতা
গোফরান পলাশ, পটুয়াখালী প্রতিনিধি

বর্ষা মৌসুমে মিনি গ্রীন হাউস ও মালচিং পদ্ধতিতে বাহারি রঙের তরমুজ, লাউ, শসা, করলা, বোম্বাই মরিচ, পেপে, কাঁচা মরিচ,লাফা, মিষ্টি কুমড়া, বেগুন, টমেটোসহ নানা প্রজাতীর সবজি চাষ করে ভাগ্য বদলেছে কৃষক জাকির হোসেন ও ওমর ফারুকের।

তাদের সফলতায় স্থানীয় অনেক কৃষক মিনি গ্রীন হাউস ও মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষ শুরু করেছেন। এভাবেই পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিরমারা গ্রাম একসময় গোটা উপজেলায় পরিচিত হয়ে ওঠে সবজি গ্রাম হিসাবে।

কৃষক জাকির হোসেন গাজী বলেন, ‘আমি এক সময় রাজমিস্ত্রী ছিলাম। সেখান থেকে এসে গত পাঁচ বছর ধরে কৃষি কাজ করে আসছি। এবছর আমি ৬ বিঘা জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির সবজি চাষ করি। যাতে খরচ হয় পাঁচ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা।

উৎপাদিত সবজি বিক্রি করে দ্বিগুণ লাভ হয়। এতে কৃষিকাজে আগ্রহ বাড়ে আমার। প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে এবছরও ভাল লাভের আশা করি।’

কৃষক মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘কলাপাড়া উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন হাট বাজারে আমাদের সবজি বিক্রি হয়। বাজার জাত করার জন্য যাতায়াত ব্যাবস্থা ভালো না থাকার কারণে সবজির ন্যায্য মূল্য পাইনা। সরকারি ভাবে কৃষি কাজে সহায়তা পেলে ব্যাপক আকারে সবজি চাষ করতে পারবো বলে আশা করি।’

কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ আর এম সাইফুল্লাহ্ বলেন, শুধু কুমিরমারা নয়, কলাপাড়া উপজেলার সকল ইউনিয়নে আমরা কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদে প্রশিক্ষণ দিয়ে সবজি চাষে উদ্বুদ্ধ করবো।

বাংলাদেশ জার্নাল/ওএফ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত