ঢাকা, শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৩ আশ্বিন ১৪২৮ আপডেট : ১৯ মিনিট আগে

ঠাঁই নেই হাসপাতালে

আইসিইউ পেতে অন্য রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষা

  মনির ফয়সাল, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২১, ২০:০৬  
আপডেট :
 ২৭ জুলাই ২০২১, ২০:১৯

আইসিইউ পেতে অন্য রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষা
ছবি- প্রতিনিধি
মনির ফয়সাল, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি ফের উদ্বেগজনক পর্যায়ে। দিন দিন সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। পাল্লা দিয়ে রোগীর চাপ বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে। বিশেষ করে গত বেশ কিছুদিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। করোনা রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যা (কেবিন) সংখ্যা বাড়িয়েও চাপ সামালে হিমশিম অবস্থায় বেসরকারি হাসপাতাল। শয্যা খালি না থাকায় প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী ফেরত দিতে হচ্ছে এসব হাসপাতালকে।

এদিকে ঠাঁই না থাকলেও রোগী ফেরত দেয়ার সুযোগ নেই সরকারি হাসপাতালে। তাই বাধ্য হয়ে মেঝেতে রাখতে হচ্ছে রোগী। আইসিইউ শয্যা খালি থাকছে না। একটি আইসিইউ শয্যা পেতে অপর কোনো রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। তাছাড়া আইসিইউ মিলছে না।

চট্টগ্রামে এখন নানামুখী তদবির করেও মিলছে না আইসিইউ শয্যা। কোনো কোনো হাসপাতালে সরকারিভাবে আইসিইউ শয্যা খালি আছে বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে চট্টগ্রামের সরকারি ও বেসরকারি কোনো হাসপাতালেই সোমবার (২৬ জুলাই) রাত পর্যন্ত একটি আইসিইউ শয্যাও খালি ছিল না।

সংক্রমণ ঠেকানো না গেলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে শঙ্কা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য বিভাগ সংশ্লিষ্টদের। নগরের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ঠাঁই না থাকায় সঙ্কটময় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রশাসন।

জানা যায়, করোনা রোগীর চাপ সামাল দিতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ১০০ থেকে বাড়িয়ে ৩০০ করা হয়েছে। কিন্তু সোমবার (২৬ জুলাই) পর্যন্ত সেখানে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন ৩১৩ জন করোনা রোগী। ১০ শয্যার আইসিইউ ও ১০ শয্যার এইচডিইউর কোথাও খালি নেই। অনেককে মেঝেতে থেকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

চমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মো. সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, আমাদের করোনা ওয়ার্ডে জায়গা নেই। রোগী আসছে। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। রোগী ফেরত দিতে পারি না। তাই সবাইকে ভর্তি করতে হচ্ছে। যার কারণে মেঝেতে রেখেও চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এখন হাসপাতালে তিন শতাধিক রোগী ভর্তি আছেন।

অন্যদিকে চট্টগ্রামে করোনা চিকিৎসার প্রধান বিশেষায়িত কেন্দ্র জেনারেল হাসপাতালে ১৫০ শয্যার বিপরীতে সোমবার (২৬ জুলাই) পর্যন্ত রোগী ভর্তি ছিলেন ১৭০ জন। আইসোলেশন বেডে ১৩০টি শয্যা থাকলেও সেখানে রোগী ছিল ১৪২ জন। হাসপাতালটিতে দীর্ঘদিন ধরেই আইসিইউর একটি শয্যাও খালি থাকছে না। প্রতিদিনই সেখানে করোনারোগীর ভিড় লেগেই আছে।

শয্যা সঙ্কটের পরও সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সেখানে অতিরিক্ত রোগী ভর্তি হয়েছে অন্তত ৩০ জন। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুরনো রোগীদের ১২ দিন পূর্ণ হলে এবং নতুন রোগীদের কারও ২৪ ঘণ্টা অক্সিজেনের প্রয়োজন না হলেই ব্যবস্থাপত্র দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিচ্ছে।

এ বিষয়ে জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. আবদুর রব মাসুম বলেন, আমাদের হাসপাতালে কোনো ধরনের শয্যা খালি নেই। ১২ দিন হলে এবং নতুন উপসর্গ দেখা না দিলে বা অক্সিজেন না লাগলে রোগীদের ছাড়পত্র দেয়া হচ্ছে। নতুন নতুন রোগী ভর্তি করাতে হচ্ছে।

এছাড়া নগরীর আগ্রাবাদের মা ও শিশু হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য শয্যা রয়েছে ১৬২টি। সোমবার পর্যন্ত সেখানে রোগী ভর্তি ছিল ১৭০ জন। ২০ শয্যার আইসিইউ ও ১২ শয্যার এইচডিইউর একটি শয্যাও খালি নেই।

এদিকে নগরীর বেসরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে পার্কভিউ হাসপাতাল, ইমপেরিয়াল হাসপাতাল, ম্যাক্স হাসপাতাল, ডেল্টা হাসপাতাল, ন্যাশনাল হাসপাতাল, মেট্রোপলিটন হাসপাতাল, মেডিকেল সেন্টার, এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতালেও অবস্থা রোগীর চাপে।

করোনারোগীদের চাপ সামাল দিতে চট্টগ্রাম নগরীর পার্কভিউ হাসপাতাল করোনার বিশেষায়িত দুটি ফ্লোরের পাশাপাশি আরও একটি নতুন ফ্লোর চালু করেও হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে। হাসপাতালটির দুটি ফ্লোরে ৫২টি কেবিনে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল এতোদিন। ঈদুল আজহার পর নতুন করে কেবিন বাড়ানো হয়েছে আরও ২৬টি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, গত কয়েকদিন ধরে প্রতিদিনই গড়ে ১৫ জন রোগী ভর্তির জন্য যোগাযোগ করছেন। একই সংখ্যক রোগী আইসিইউর একটি শয্যার জন্য ধর্না দিচ্ছেন। কিন্তু কেবিন ছাড়াও হাসপাতালটির ১২টি আইসিইউ শয্যা ছাড়াও এইচডিইউর সবগুলোর শয্যা সবসময়ই থাকছে পূর্ণ।

চট্টগ্রাম নগরীর ম্যাক্স হাসপাতালে কেবিন রয়েছে ৬৭টি। এর বিপরীতে সেখানে বর্তমানে রোগী ভর্তি রয়েছেন ৭০ জন। তার মধ্যে ১০ জন রোগী আইসিইউতে। প্রতিদিন অন্তত ১০ জন রোগী সিট চেয়ে সেখানে যোগাযোগ করছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভারতের অবস্থা থেকে আমাদের দ্রুত শিক্ষা নিতে হবে। হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের যোগান দিতে হবে। হাসপাতালে করোনার বেড, আইসিইউ বেড, ভেন্টিলেটর ইত্যাদির সংখ্যা বাড়াতে হবে। ডিজিটাল ডাটাবেজের মাধ্যমে এগুলো সমাধান করার উদ্যোগ নিতে হবে। রোগী ব্যবস্থাপনায় আরও গুরুত্ব দেয়া দরকার।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, চমেক হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতালের সব শয্যা রোগীতে ভরে গেছে। এখন মেঝেতে রোগী রাখতে হচ্ছে। জেনারেল হাসপাতালের দ্বিতীয় ইউনিট হিসেবে হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতালে রোগী ভর্তি শুরু করতে হয়েছে। সেখানে আমরা ৬০ জন মতো রোগী ভর্তি রাখতে পারবো। কিন্তু পরিস্থিতি যেদিকে ধাবমান, আমাদের আরো প্রস্তুতি দরকার।

তিনি বলেন, বেসরকারিগুলোতেও হিমশিম অবস্থা। এর জন্য বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতেও যাতে কোভিড চিকিৎসাটা নিশ্চিত করা যায়, আমরা সেটাই চেয়েছি। চট্টগ্রামে আমাদের ৬টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রয়েছে। তবে সব প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা সক্ষমতা সমান নয়। তবে আমরা চেয়েছি, সবকয়টি হাসপাতালই কোভিড চিকিৎসা শুরু করুক। কিছু রোগী হলেও এসব হাসপাতালে চিকিৎসা পাক। কিন্তু দুই-একটি ছাড়া অন্যরা প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখাতে পারেননি।

এর আগে গত ১৪ জুলাই (বুধবার) চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর চট্টগ্রামের ৬ বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারগুলোকে কভিড ডেডিকেটেড শয্যা বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠান।

হাসপাতালগুলোর কাছে পাঠানো অফিস আদেশে বলা হয়, ‘চলমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালসমূহে প্রতিনিয়ত রোগীর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে চট্টগ্রামের বেসরকারি মেডিকেল কলেজসমূহে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রধান করা হলেও রোগীর তুলনায় বেড সংখ্যা অপ্রতুল। ফলশ্রুতিতে রোগী সাধারণ সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালমুখী হচ্ছে। এরূপ পরিস্থিতিতে চলমান কোভিড-১৯ মোকাবেলায় দ্রুত সময়ের মধ্যে বেরসকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বল্পমূল্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক আইসোলেশন বেড বৃদ্ধিসহ করোনা রোগী ভর্তির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।’

চট্টগ্রামে মোট ৬টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রয়েছে। এগুলো হল- মা ও শিশু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ (ইউএসটিসি) হাসপাতাল, মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সাউদার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এই ৬টির মধ্যে মাত্র দুটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল করোনা পরিস্থিতিতে কিছুটা হলেও ভূমিকা রাখতে পারছে। মা ও শিশু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শুরু থেকেই করোনা রোগীর চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এছাড়া ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও কিছুটা সেবা পাচ্ছে করোনা রোগীরা। এর বাইরে অন্যান্য বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সোমবারও (গতকাল) অনলাইনে সভা করেন চট্টগ্রামের প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা। বিভাগীয় কমিশনার মো. কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর, সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন। বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা এ সভায় যুক্ত ছিলেন।

সভার বিষয়ে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, সোমবার কেবল বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে এক হাজারের বেশি করোনা রোগী ভর্তি। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালসহ অন্যান্য সরকারি হাসপাতালগুলোতে আরো প্রায় ৬শ’ রোগী। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে এখন ঠাঁই হচ্ছে না। আইসিইউ শয্যার সঙ্কট।

তিনি বলেন, আমরা হয়তো আবারো ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এই আশঙ্কাটা আমরা আগেই করেছিলাম। আশঙ্কা থেকেই বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোকে চিকিৎসায় সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দেয়া হয়েছিল। এসব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ডাক্তার, ইন্টার্ন ডাক্তার-নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী আছে। তাই সক্ষমতা বা চিকিৎসা সুবিধা বাড়ালেই বেশ কিছু রোগী এসব প্রতিষ্ঠানেও চিকিৎসা সেবা পেত। সেদিক বিবেচনায় আমরা আগেই এসব প্রতিষ্ঠানকে প্রস্তুতি নিতে বলেছিলাম।

মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আরও বলেন, সক্ষমতা বাড়াতে বলেছিলাম। কিন্তু দেখা গেল হাতে গোনা দুই-একটি ছাড়া অন্যান্য বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলো চিকিৎসা সুবিধা ও সক্ষমতায় প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখাতে পারেনি। যারা সক্ষমতা থাকলেও রোগী পাচ্ছেন না বলছেন, তারা হয়তো রোগীদের সেই আস্থাটুকু অর্জন করতে পারেননি। এমন সঙ্কটময় পরিস্থিতিতেও যদি তারা ভূমিকা রাখতে না পারেন, এগিয়ে না আসেন; তাহলে আসবেন কখন?

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে প্রতিদিনই করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। দিনকে দিন ভাঙছে আগের রেকর্ড ৷ গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ও মৃত্যুতে সৃষ্টি হয়েছে নতুন রেকর্ড। গত একদিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরো ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। যাদের ৭ জন নগরের বাকি ১১ জন উপজেলার বাসিন্দা। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে ৯১৫ জনে।

এছাড়া গত একদিনে নতুন করে করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে আরো ১ হাজার ৩১০ জন। তার মধ্যে ৮৩৩ জন নগরের ও ৪৭৭ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। এ নিয়ে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৭৭ হাজার ৫২১ জনে এসে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ৫৮ হাজার ৩২৩ জন নগরের বাসিন্দা ও ১৯ হাজার ১৯৮ জন বিভিন্ন উপজেলার।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত