ঢাকা, শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৩ আশ্বিন ১৪২৮ আপডেট : ২ মিনিট আগে

সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করছে ডিএসসিসি

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২১, ২১:৪৭

সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করছে ডিএসসিসি
ছবি- নিজস্ব
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকাকে উন্নত ও আধুনিক মহানগরী হিসেবে গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদী সমন্বিত মহাপরিকল্পনা (ইন্ট্রিগ্রেটেড মাস্টারপ্লান ফর ঢাকা সিটি) প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজধানীকে কেন্দ্র করে অন্যান্য সংস্থাগুলো যে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ বা প্রণয়ন করেছে সেসব মহাপরিকল্পনা এই সমন্বিত মহাপরিকল্পনায় সুষমভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

সমন্বিত মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে অগ্রাধিকারভিত্তিতে ডিএসসিসির কেন্দ্রীয় বাণিজ্যিক এলাকা প্রতিষ্ঠা করা, নতুন আবাসিক এলাকা (টাউনশীপ) গড়ে তোলা, নদীর পাড় ঘেঁষে প্রশস্ত সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, খালগুলো সংরক্ষণ ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি করা, পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে দীর্ঘমেয়াদী বাস্তবভিত্তিক সমাধান করাসহ নাগরিক সকল সমস্যার টেকসই সমাধান করা হবে।

ডিএসসিসি জানায়, যৌথ-উদ্যোগে (জয়েন্ট ভেঞ্চার) ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট কনসালট্যান্ট লিমিটেড ও সাতত্ত্ব আর্কিটেক্টকে ৩০ বছর মেয়াদী মাস্টারপ্ল্যান ফর ঢাকা সিটি প্রণয়নে সম্প্রতি (২৪ জুন) পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে চুক্তিবদ্ধ করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী এক বছরের মধ্য (১২ মাস মেয়াদ) এই মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করবে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দুটি।

ডিএসসিসি’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ বিষয়ে মঙ্গলবার নগরভবনের বুড়িগঙ্গা হলে মাস্টারপ্লান প্রণয়ন পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রথম বৈঠক করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। এসময় ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ডিএসসিসির মেয়র তাপস বলেন, সিটি কর্পোরেশন থেকে সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ এই সভার মাধ্যমে তার শুভ সূচনা হলো। আইন অনুযায়ী নগরীর মহাপরিকল্পনার জন্য করপোরেশন দায়িত্বপ্রাপ্ত হলেও এবারই প্রথম করপোরেশন হতে একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাই একটি উন্নত ও আধুনিক মহানগরী হিসেবে ঢাকাকে গড়ে তুলতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে এই মহাপরিকল্পনায় প্রয়োজনীয় সকল বিষয়ের সন্নিবেশ ঘটাবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

ওয়ার্ডভিত্তিক সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রমকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে শেখ তাপস বলেন, আপনারা আমাদের মহাপরিকল্পনায় জমির যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা, সড়ক ব্যবস্থাপনা মহাপরিকল্পনা, নর্দমা অন্তর্জাল মহাপরিকল্পনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা মহাপরিকল্পনা এবং সামাজিক সুবিধাদিসহ নগরবাসীর সামগ্রিক প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে মহাপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করবেন।

সমন্বিত মহাপরিকল্পনায় অগ্রাধিকারভিত্তিক বিষয়গুলো তুলে ধরে মেয়র বলেন, কেন্দ্রীয় বাণিজ্যিক এলাকা প্রতিষ্ঠা করা, নতুন আবাসিক এলাকা (টাউনশীপ) গড়ে তোলা, নদীর পাড় ঘেঁষে প্রশস্ত সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, খাল গুলো সংরক্ষণ ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি করা, পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে দীর্ঘমেয়াদী বাস্তবভিত্তিক সমাধানসহ নাগরিক সমস্যার টেকসই সমাধানে পরিকল্পনা প্রয়োজন। সেগুলো আপনারা যথাযোগ্যভাবে সন্নিবেশ করবেন বলে আমি আশাবাদী।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমআর

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত