ঢাকা, সোমবার, ১১ অক্টোবর ২০২১, ২৭ আশ্বিন ১৪২৮ আপডেট : ১৩ মিনিট আগে

নির্মাণের দুই মাসেই ফাটল কোটি টাকার সড়কে

  পটুয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৪৭  
আপডেট :
 ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৫১

নির্মাণের দুই মাসেই ফাটল কোটি টাকার সড়কে
ছবি- প্রতিনিধি
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বাউফল-নওমালা থেকে হোসনাবাদ শের-ই বাংলা হয়ে হাচান হাওলাদার বাড়ি পর্যন্ত ১.৮ কিলোমিটার নির্মিত কার্পেটিং সড়কে ফাটল দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সড়কটির নির্মাণকাজ শেষের দুই মাসের মধ্যেই সড়কের একাধিক স্থানে ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে। শিডিউল অনুযায়ী কাজ না করা ও নির্মাণকাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করায় সড়কের এই বেহাল দশা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৯৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ১.৮ কিলোমিটার ওই সড়কটি নির্মাণের জন্য দরপত্র আবহ্বান করে এলজিইডি। এতে পটুয়াখালীর মের্সাস নাজমুস শাহাদাত নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি পায়। সড়কের নির্মাণকাজের তদারক কর্মকর্তা ছিলেন এলজিইডির উপ-সহকারি প্রকৌশলী মো.শহিদুল ইসলাম।

জানা যায়, সড়কে বালু ভরাটের কথার থাকলেও অবৈধভাবে বোমা ড্রেজার দিয়ে স্থানীয় পুকুর থেকে কাদামাটি দিয়ে রাস্তা ভরাট করা হয়। ঠিকমত কাটা হয়নি বেড। ব্যবহার করা হয়েছে নিম্নমানের পাথর আর ইট-খোয়া। এছাড়া কার্পেটিং করার সময় ৬০% বিটুমিন ও ৪০% ক্রসিন দেওয়ার কথা থাকলেও নামমাত্র বিটুমিন ও ক্রসিন দিয়ে কার্পেটিং করা হয়। এতে করে নির্মাণের দুই মাসের মাথায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গেছে, দেখা দিয়েছে বড় বড় ফাটল। ফলে সড়কের একাধিক স্থানে ধসে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. শাহাবুদ্দিন ও মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, যেমন খুশি তেমনভাবে সড়ক নির্মাণ করেছে ঠিকাদার। নির্মাণ কাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানিয়েও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. শাহাদাতের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যদি ভেঙে থাকে তাহলে সংস্কার করে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে সড়কের নির্মাণকাজের তদারক কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম সড়কের বেহাল দশার কথা স্বীকার করে বলেন, ঠিকাদারের সাথে কথা হয়েছে। সড়কটি সংস্কার করে দেওয়া হবে।

উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. সুলতান ইসলাম বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জামানত জব্দ রয়েছে। সড়কটি সংস্কার করার জন্য ঠিকাদারকে চিঠি দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/আর

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত