ঢাকা, শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১ কার্তিক ১৪২৮ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে

ডিআইজি পার্থ গোপাল কারাগারে

  জার্নাল প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:০২  
আপডেট :
 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:৫৯

ডিআইজি পার্থ গোপাল কারাগারে
ডিআইজি প্রিজনস পার্থ গোপাল বণিক।
জার্নাল প্রতিনিধি

ঘুষ ও মানি লন্ডারিং আইনে করা মামলায় কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজনস) পার্থ গোপাল বণিকের জামিন অবদেন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলমের আদালত এ আদেশ দেন।

রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) তিনি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেনের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু উচ্চ আদালতের নির্দেশ মোতাবেক মামলাটি সাক্ষ্য গ্রহণ না করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এ বদলি করা হয়।

২০১৯ সালের ২৮ জুলাই কারাগারে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে পার্থ গোপাল বণিককে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে অভিযানে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ওইদিন বিকেলে তার ধানমন্ডির ভূতের গলির ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে ৮০ লাখ টাকা উদ্ধার করে দুদক। এর পরেই তাকে আটক করা হয়। পরদিন ২৯ জুলাই তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, বরখাস্ত হওয়া কারা উপ-মহাপরিদর্শক পার্থ গোপাল বণিক সরকারি চাকরিতে দায়িত্ব পালনের সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষের মাধ্যমে ৮০ লাখ টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেন। এসব টাকা গোপন করে তার কোনো ব্যাংক হিসাবে জমা না রেখে বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে নিজ বাসস্থানে লুকিয়ে রেখে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারা, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫ (২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

গত বছরের ২৪ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন আদালতে পার্থ গোপালের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ দুদকের দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

গত ২ সেপ্টেম্বর দুদকের আপিল মঞ্জুর করে পার্থ গোপাল বণিকের জামিন বাতিল করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। এছাড়া ঢাকার বিশেষ জজ পার্থ গোপালের মামলাটি বিচারের জন্য আদালত-৫ থেকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এ বদলি করেন। আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে বলেছেন উচ্চ আদালত। এছাড়া মামলার প্রত্যেক রায় ও আদেশ উন্মুক্ত আদালতে দিতে বলা হয়েছে। ভবিষ্যতের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেনকে সতর্কও থাকতে বলেছেন।

বাংলাদেশ জার্নাল/জেবি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত