ঢাকা, রোববার, ২৩ জানুয়ারি ২০২২, ৯ মাঘ ১৪২৮ আপডেট : ৩ মিনিট আগে

‘শহীদ ডা. মিলন দিবস’ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী

  জার্নাল ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০২১, ১০:৪৫  
আপডেট :
 ২৭ নভেম্বর ২০২১, ১২:০৫

‘শহীদ ডা. মিলন দিবস’ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী
ছবি: সংগৃহীত
জার্নাল ডেস্ক

‘শহীদ ডা. মিলন দিবস’ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানন্ত্রী তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।

শুক্রবার রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এক বাণীতে বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ডা. মিলন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে পুরোভাগে থাকা শহীদ ডা. সামসুল আলম খান মিলন পুলিশের গুলিতে শাহাদতবরণ করেন। ’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ শহীদ ডা. মিলনের মতো আরও অনেকের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৯৯০ সালে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে। দেশের প্রতিটি গণতন্ত্রকামী মানুষ এসব বীর শহিদের অবদান চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।’

রাষ্ট্রপতি এসময় শহীদ ডা. সামসুল আলম খান মিলনের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনাসহ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘গণতন্ত্র ও উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে আরো বেগবান করতে হবে। নতুন প্রজন্ম ডা. মিলনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক রীতিনীতির চর্চায় নিজেদের নিয়োজিত করবে- এ প্রত্যাশা করি।’

অন্যদিকে ‘শহীদ ডা. মিলন দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ডা. মিলনের আত্মত্যাগ নতুন গতি সঞ্চার করেছিলো।’

তিনি ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শহীদ পেশাজীবী নেতা ডা. শামসুল আলম খান মিলনের ৩১ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

তিনি বলেন, ‘সেদিনই দেশে জরুরি আইন ঘোষণা করা হয়। কিন্তু জরুরি আইন, কারফিউ উপেক্ষা করে ছাত্র-জনতা মিছিল নিয়ে বার বার রাজপথে নেমে আসে। অবশেষে স্বৈরশাসকের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়।’

ডা. মিলন ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক এবং বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের তৎকালীন যুগ্ম-মহাসচিব ছিলেন। তিনি ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের একটি সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ঘাতকদের গুলিতে শহিদ হন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডা. মিলন ছাড়াও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই সংগ্রামে যুবলীগ নেতা নূর হোসেন, নূরুল হুদা, বাবুল, ফাত্তাহসহ অগণিত গণতন্ত্রকামী মানুষের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার রাজপথ। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় ভোট ও ভাতের অধিকার। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাদের অবদান জাতি চিরদিন গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

শেখ হাসিনা ডা. শামসুল আলম খান মিলনের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

সূত্র: বাসস

বাংলাদেশ জার্নাল/জেবি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত