রোববার থেকে চট্টগ্রামেও শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়া

প্রকাশ : ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১৩:৪১ | অনলাইন সংস্করণ

  চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

বন্দর নগরী চট্টগ্রামেও রোববার থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য গণপরিবহনে অর্ধেক ভাড়া কার্যকর হতে যাচ্ছে। কয়েকদিন ধরে সারাদেশের মতো চট্টগ্রামেও শিক্ষার্থীরা অর্ধেক ভাড়ার দাবিতে আন্দোলন করে আসছিল।

রোববার সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অর্ধেক ভাড়া কার্যকর ঘোষণা দেয়া হবে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি। শনিবার সকালে বিষয়টি বাংলাদেশ জার্নালকে নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন বাস মালিক সমিতির সভাপতি বেলায়েত হোসেন বেলাল।

তিনি বলেন, ‘ছাত্রদের আন্দোলনের কারণে গত বৃহস্পতিবার আন্তঃজেলা বাস মালিক সমিতির কার্যালয়ে আমরা মেট্রোপলিটন বাস মালিক সমিতি, জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ও আন্তঃজেলা বাস মালিক সমিতি একসাথে বসেছিলাম। সভায় আলাপ-আলোচনা করে আমরা ছাত্রদের হাফ ভাড়ার দাবি মেনে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে এক্ষেত্রে আমাদের দুটি শর্ত আছে।’

এর একটি সরকারের কাছে এবং অন্যটি শিক্ষার্থীদের কাছে বলে জানিয়েন তিনি।

বাস মালিক সমিতির এ নেতা বলেন, ‘লকডাউন চলাকালে পরিবহন শ্রমিক ও মালিকরা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আমাদের গাড়ির বাৎসরিক আয়কর এই বছর ৪-৫ গুণ বাড়ানো হয়েছে। সেটি আগের মতো রাখার দাবি থাকবে সরকারের কাছে। আর শিক্ষার্থীদের কাছে শর্ত হল বাসে ওঠার সময় তাদের ইউনিফর্ম আর আইডি কার্ড কনফার্ম করতে হবে।’

শিক্ষার্থীদের অর্ধেক ভাড়া শুধুমাত্র চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের যুগ্ম সম্পাদক মো. শাহাজাহান।

তিনি বলেন, ‘নগরের প্রতি কিলোমিটার বাস ভাড়া ২.১৫ পয়সা। কিন্তু আন্তঃজেলাতে এর চেয়ে কম।  এখানে অর্ধেক ভাড়া কার্যকর সম্ভব নয়।' 

প্রসঙ্গত, রাজধানী ঢাকার মত চট্টগ্রামেও গত কিছুদিন ধরে গণপরিবহনে হাফ ভাড়া সহ ৯ দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছিল সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানার ছাড়াও আলাদা আলাদাভাবে চট্টগ্রামে এই আন্দোলনে ছিল ছাত্রলীগ ও বাম ছাত্র সংগঠনগুলো।

গত ২৩ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের শুরু থেকেই চট্টগ্রামে হাফ ভাড়ার দাবিতে সক্রিয় ছিল ছাত্রলীগ। আলাদা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে ছিল বাম ছাত্র সংগঠনগুলোও। গত ২৫ নভেম্বর নগরীর দুই নম্বর গেট থেকে বাম সংগঠনের ৪ নেতাকে আটক করে পুলিশ। পরে ছেড়েও দেয়। এছাড়া চট্টগ্রামে ছাত্রদের আন্দোলনে বড় ধরনের কোনো সংঘাত বা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।

বাংলাদেশ জার্নাল/জেবি